বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন

বাক স্বাধীনতার সাথে সাংঘর্ষিক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে-ইশা ছাত্র আন্দোলন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১
বহুল বিতর্কিত তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার নাম পরিবর্তন করে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ নামে প্রচলিত জনগণের কণ্ঠরোধের কালো আইন বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল করীম আকরাম ও সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন।
আজ ৯ মার্চ ‘২১ মঙ্গলবার এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিতর্কিত তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার কালো ভার্সন হলো এই ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট’ বা কথিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অন্যতম মানবাধিকারবিরোধী দিক হলো, এর মোট ১৩টি ধারার ক্ষেত্রে পুলিশের কাছে যে কোনোকিছুই আমলযোগ্য; অথচ অপরাধ প্রমাণের আগেই সেগুলো জামিন-অযোগ্য, এমনকি রকমভেদে শাস্তির মাত্রাও অতি উচ্চ। এই আইনটি প্রবর্তন করাই হয়েছে লেখক, সাংবাদিক ও বিরোধী রাজনৈতিক মতকে দমন করার জন্য। ক্ষমতায় চিরদিন থাকার বাসনা থেকেই এই আইন প্রবর্তন করা হয়েছে। এ আইনের ভয়ঙ্কর দিকটি হলো, এর ৪৩ ধারায় পুলিশকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার, জব্দ ও তল্লাশি করার লাগামহীন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আর এই তল্লাশি হতে পারে, কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধমূলক কিছু করছে স্রেফ এমন সন্দেহের উপর ভিত্তি করেই । এই আইন বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ ধারা এবং তথ্য অধিকার আইনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। যার শাস্তির বিধানও দেশের আইনকাঠামোর মৌলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্থান পাওয়া ‘রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম’, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’, ‘ধর্মীয় অনুভূতি’, ‘ধর্মীয় মূল্যবোধ’এ আঘাত ইত্যাদি বিষয়ের সুস্পষ্ট কোন সংজ্ঞায়ন করা হয়নি ফলে এসব প্রত্যয়ের মনগড়া ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানির সুযোগ রয়েছে। যা ক্ষমতাসীনদের আইনানুগভাবে বিরোধীদের দমনের সুযোগ করে দিয়েছে।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ নং ধারাটি অত্যন্ত কঠোর আখ্যা দিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ধারা তথ্যের অবাধ প্রবাহ, স্বাধীন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকারের পরিপন্থী। এই ধারার সুযোগে তথাকথিত দাপ্তরিক গোপনীয়তার প্রবণতা বেড়ে যাবে এবং দেশ জবাবদিহিতাহীন এক লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হবে যা গণতন্ত্র ও সুশাসনের পরিপন্থী।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আইন তৈরি হয় জনগণের কল্যাণের জন্য, দুর্নীতি দমনের জন্য। কিন্তু আমরা দেখছি, সরকার এ আইনটি প্রবর্তন করেছে বিরোধী মত দমন এবং দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও মাফিয়াদের জন্য রক্ষা করার জন্য।
নেতৃদ্বয় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন একটা চরম গণবিরোধী ও নিপীড়নমূলক আইন। তাই এর কোনো সংস্কার নয়, আমরা এই আইনের দ্রুত বিলোপ দাবি করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২১
Technical Support: Uttara IT Soluation
themesba-lates1749691102

fethiye bayan escort yalova escort yalova escort bayan van escort van escort bayan uşak escort uşak escort bayan trabzon escort trabzon escort bayan tekirdağ escort tekirdağ escort bayan şırnak escort şırnak escort bayan sinop escort sinop escort bayan siirt escort siirt escort bayan şanlıurfa escort şanlıurfa escort bayan samsun escort samsun escort bayan sakarya escort sakarya escort bayan ordu escort ordu escort bayan niğde escort niğde escort bayan nevşehir escort nevşehir escort bayan muş escort muş escort bayan mersin escort mersin escort bayan mardin escort mardin escort bayan maraş escort maraş escort bayan kocaeli escort kocaeli escort bayan kırşehir escort kırşehir escort bayan www.escortperl.com