বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন

নীলফামারীতে ফুপুর কাছে প্রতারণার শিকার ভাতিজা

নীলফামারী সংবাদদাতা
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
নীলফামারীতে ভাতিজার কাছে জমি বিক্রয়ের নামে  প্রতারণা করেছে ফুপু। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দুইবার বিভিন্ন দাগে জমি লিখে দেওয়ার নামে প্রতারণা করে ফুফু। ফুপুর কাছে সরল মনে ভাতিজা দুইবার যে জমিগুলো ক্রয় করে সত্যিকার অর্থে সে যায়গা গুলোতে ফুফুর নামে কোনো জমি নেই। নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা দরবেশ পাড়ার বাসিন্দা ভাতিজা ফরহাদ নওরোজ নাহিন তার ফুপু জেলা শহরের সবুজ পাড়ার মীর সেলিম ফারুকের স্ত্রী তাজনুর আফছানা কর্তৃক প্রতারণার শিকার হয় ভাতিজা নাহিন। এঘটনায় ভাতিজা নাহিন  তার ফুফু তাজনুর আফছানাকে একাধিকবার ফোনে ও বাড়িতে গিয়ে জানালেও ফুফু এর সুষ্ঠু সমাধানের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয় নি। বরং আজ কাল বলে শুধু সময় পার করছে। ফুপু কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ভুক্তভোগী নাহিন ফুফুকে আইনি নোটিশ পাঠায়।
পাঠানো আইনি নোটিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৬সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ১৭৩২/১৬ কবলা দলিল অনুযায়ী জমি ক্রয় করে। উক্ত দলিলে এস.এ ৩৩৫১দাগে ৮শতকের মধ্যে ০.৭২শতক, এস.এ ৩৬৪০ দাগে ৪০ শতকের মধ্যে ৪শতক, এস.এ ৩৬৩৫ দাগে ৪৪ শতকের মধ্যে ৪শতক, ৩৬৭৩দাগে ৪শতকের মধ্যে ২.৫০শতক, এস.এ ৩৩৭৪ ও ৩৭৭৩ দুই দাগে ৫শতক, এস.এ ৩৬৩৪ দাগে ৩শতকের মধ্যে ০.২৭শতক, এস.এ ৩৩৫৮ দাগে ২০শতকের মধ্যে ১শতক জমি সমূহ দলিল মূলে হস্তান্তর করে ফুফু তাজনুর। আবার ২০১৭ সালে ২০শে ফেব্রুয়ারি ১৬৬৬/১৭ কবলা দলিল অনুযায়ী জমি ক্রয় করে ভুক্তভোগী নাহিন। উক্ত দলিলে এস.এ ১২৮ দাগে ৪১শতকের মধ্যে ২শতক, এস.এ ১৪২দাগে ২৩শতকের মধ্যে ৮শতক জমি সমূহ দলিল মূলে নাহিনের কাছে হস্তান্তর করে।
কিন্তু হস্তান্তরকৃত জমি গুলোতে ফুফু তাজনুর আফসানার কোন দখল নেই এবং ভাতিজা নাহিন কে ভুল বুঝিয়ে সত্য গোপন রেখে উক্ত দাগ গুলোতে জমি উল্লেখ করলেও বাস্তবে উক্ত দাগে ফুফু আফসানা তাজনুরের কোনো জমি নেই। কিন্তু উক্ত দাগগুলোর জমির বিনিময় সর্বোচ্চ বাজারমূল্য অনুযায়ী নাহিনের কাছে টাকা নেয় ফুপু।
ভুক্তভোগী ফরহাদ নওরোজ নাহিন জানান, আমার ফুপু হয় তাই আমি সরল মনে তার কাছে জমি গুলো ক্রয় করি। কিন্তু আমার ফুপু যে আমার সাথে এতো বড় প্রতারণা করবে তা আমি কখনো ভাবতে পারিনি। আমি অনেক বার তাকে এ বিষয়ে জানালেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেয় নি। বরং আমাকে উল্টাপাল্টা বুঝিয়ে দিনের পর দিন পার করেছে। তৎকালীন বাজারমূল্য ১০লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমি ফুপুর কাছে উক্ত দাগের জমি গুলো ক্রয় করেছিলাম।
এ বিষয়ে ফরহাদ নওরোজ নাহিনের ফুপু তাজনুর আফছানা বলেন, আমাদের পারিবারিক জমি-জমা এখনো বাটোয়ারা হয় নি। এখনো জমিগুলো দেখাশোনা করছে কারা? আসলে নাহিন  একটা জমি খারিজের জন্য আবেদন দেয়, সেটি বিরুদ্ধে আমরা একটি অভিযোগ দেই দেখে সে এখন আমাদের হয়রানী করার জন্য নানা পরিকল্পনা করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২১
themesba-lates1749691102