বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে সংস্কার হলো চলাচলের অযোগ্য সড়ক

গাজী তারেক রহমান । স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১

অবশেষে সংস্কার হলো তুরাগের উলুদাহা-তাফালিয়া পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন সড়কের মরণফাঁদটি। দীর্ঘদিন ধরে ডিএনসিসি ৫২নং ওয়ার্ডভুক্ত তুরাগ এলাকার উলুদাহা-তাফালিয়া থেকে বাউনিয়ায় আসা যাওয়ার একমাত্র সড়কের পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন এই অংশটি মারাত্মক খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতায় ডুবে ছিল। প্রায় ৭ বছর যাবৎ রাস্তার ওই স্থানটি ভাঙ্গা ও পানিতে তলিয়ে থাকার পর শেষ পর্যন্ত স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে রাস্তাটি ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠেছে। এতে করে দীর্ঘ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এলাকার প্রায় বিশ হাজার মানুষ।

বাউনিয়া-উলুদাহা যাতায়াতের সড়কটির ওই অংশ বিগত কয়েক বছর ধরেই পানিতে ডুবে ছিল। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি ধরে চলাচল একেবারেই কষ্টসাধ্য ব্যাপার ছিল। এছাড়াও শুকনো মৌসুমেও ডুবে থাকতো সড়কের ওই অংশ। পাশেই পুলিশ ফাঁড়ি হওয়ায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদেরকেও আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হতো। সেই সাথে এলাকাবাসীর প্রতিদিনকার চলাচলের একমাত্র সড়ক হওয়ায় চরম দুর্ভোগ হওয়া সত্বেও বাধ্য হয়েই সড়কটি ধরে আসা-যাওয়া করতে হতো। ফলে রিক্সা ও অন্যান্য যান চলাচলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটতো রাস্তার জলাবদ্ধতাপূর্ণ স্থানটিতে। এলাকাবাসীর এমন দুর্ভোগ লাঘবে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে আসলেন তুরাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম।

ছবি: ছাত্রলীগ নেতা মো. শফিকুল ইসলাম।

ট্রাকভর্তি পাথরকনা (রাবিশ) ফেলে সড়কের ওই অংশটি মানুষ ও যান চলাচলের উপযোগী করে তুলেছেন ছাত্রলীগের এই নেতা। এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম উত্তরা নিউজকে বলেন, অসুস্থ মানুষজনকে মেডিকেল কিংবা ক্লিনিকে নেয়া-আনার ক্ষেত্রে রাস্তার এই অংশটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষের ক্ষেত্রেই রাস্তার এই জায়গাটি ধরে আসা-যাওয়া কষ্টসাধ্য ব্যাপার ছিল। গাড়ি কিংবা মোটর সাইকেল নিয়ে এই জায়গা পাড়ি দেয়া ছিল রীতিমতো যুদ্ধের অবস্থা। দীর্ঘদিন এমন অবস্থা দেখে এমপি মহোদয়ের (আলহাজ¦ হাবিব হাসান) নির্দেশে আমরা এলাকার ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দদেরকে নিয়ে রাস্তাটি এখন চলাচলের উপযোগী করে তুলেছি। এতে মানুষজনের কষ্ট লাঘব হবে।’

প্রসঙ্গত, সামান্য বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় ডিএনসিসি ৫২, ৫৩ ও ৫৪নং ওয়ার্ডসমূহের অন্তর্গত তুরাগের প্রায় অধিকাংশ এলাকার রাস্তাঘাটগুলোই। এলাকাবাসীর উদ্যোগে কিংবা ব্যক্তি চেষ্টায় কিছু কিছু রাস্তা সংস্কার হয়ে আসলেও সড়ক পথে তুরাগের এলাকাগুলোতে বসবাসরত কয়েক লক্ষ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজন স্থায়ী সমাধান। বরাদ্দের অভাবে দার্ঘদিন ধরেই রাস্তা ও ড্রেনের কাজে হাত দিতে পারছেন না কাউন্সিলররা। আবার কয়েকটি রাস্তা সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে পাকাকরণ হলেও তিন ওয়ার্ডের অধিকাংশ রাস্তাই খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকায় এর কোন সুফল পাচ্ছেনা এলাকার বাসিন্দারা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২১
themesba-lates1749691102