৩ কোটি অবৈধ স্মার্টফোন বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ - ০১:৪৭:৩০ অপরাহ্ন

অবৈধ স্মার্টফোন বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এ জন্য ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থার প্রযুক্তি সরবরাহ ও পরিচালনায় দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

দেশে কী পরিমাণ অবৈধ স্মার্টফোন আছে, এ নিয়ে সরকারি কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে ব্যবসায়ীদের হিসাবে বর্তমানে দেশে প্রায় তিন কোটি অবৈধ স্মার্টফোন রয়েছে, যা দেশে ব্যবহৃত মোট স্মার্ট ফোনের প্রায় ৩০ শতাংশ। এর ফলে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারায় সরকার।

বিটিআরসির সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসি ওই দরপত্র আহ্বান করে। আগামী জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এনইআইআর চালুর জন্য এ দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এনইআইআর পদ্ধতি চালু হলে অবৈধভাবে দেশে আনা মুঠোফোন মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না।

দরপত্রে বলা হয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো দরপত্র জমা দিতে পারবে। একই দিন বিকেলে দরপত্র খোলা হবে। অংশগ্রহণকারীর সাত বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

গত বছরের জানুয়ারিতে মোবাইল ফোন অপারেটরদের ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রারের (ইআইআর) খসড়া নির্দেশনায় বলা হয়, ‘অপারেটররা তাদের লাইসেন্স নীতিমালা অনুযায়ী সব মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের ইএমআই নম্বর দিয়ে এ ডাটাবেজ তৈরি করবে। এ ডাটাবেজে তিনটি ক্যাটাগরি থাকবে ব্ল্যাক, হোয়াইট ও গ্রে। আইএমইআই নম্বর হলো বৈধ মোবাইল ফোনের ১৫ ডিজিটের একটি স্বতন্ত্র সংখ্যা।’

‘একটি মোবাইল ফোনের কি-প্যাডে *#০৬# পরপর চাপলে ওই মোবাইল ফোনের বিশেষ এ শনাক্তকরণ নম্বরটি পর্দায় ভেসে উঠে। অপারেটরদের ইআইআর তৈরির পর তা জাতীয় ইআইআরে (এনইআইআর) সংযুক্ত হবে। এর ফলে সব অপারেটরদের ইআইআর খুব সহজেই নজরদারি করতে পারবে বিটিআরসি। ইআইআর ও এনইআইআর বাস্তব সময় সিক্রোনাইজেশন হবে অর্থাৎ ইআইআরকে ডেটা সংযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা এনইআইআরে চলে আসবে।’