মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান
উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার


৩য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় ২যুবক আটক

সাতক্ষীরার কলারোয়ার




সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি গ্রামে ১০০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ৩য় শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ভুবাল কুমার ঘোষ ও ইমরান হোসেন নামে ২ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে- গত শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার কেঁড়াগছি গ্রামে।

অভিযুক্তরা হলেন-উপজেলার কেঁড়াগাছি গ্রামের অনন্ত কুমার ঘোষের ছেলে ভুপাল কুমার ঘোষ (২৩) ও একই গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে ইমরান হোসেন (১৯)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়-মেয়েটি তার ছোট ভাইকে নিয়ে বাড়ির পাশে মাঠে খেলা করছিলো। এমন সময় মেয়েটির আশপাশে অভিযুক্ত ভুপাল ও ইমরানকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ বাদে ইমরান ও ঘাতক ভুপাল কুমার সুযোগ বুঝে মেয়েকে ১০০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের ঝোপঝাড়ে নিয়ে (খেজুর বাগান) অসৎ উদ্দেশ্য সফল করার চেষ্টা করে। মেয়ের বাবা জানান-শুক্রবার বিকালে বাড়ির পাশে মাঠে কৃষি ক্ষেতে তিনি কাজ করছিলেন। এমন সময় কৃষি ক্ষেত থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে তার মেয়ে ও ছোট ছেলে (ছেলের বয়স ৫ বছর) খেলা করছিল।

সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পূর্বে মেয়েটি যখন হায়েনার লালসার শিকারে পরিণত হয়ে কাদছিল তখন সাথে থাকা ছোট ভাইটি কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে আমাকে (বাবাকে) ডাক দেয়। বাবা ছুটে আসতে আসতে ঘাতক ভুপাল ও ইমরান দৌড়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য মুহিদুল ইসলাম গাজী জানান, মেয়ের বাবা শনিবার সকালে তার কাছে অভিযোগ করলে, তিনি গ্রাম পুলিশ দিয়ে ঘাতক ভুপাল কুমার ও তার বন্ধু ইমরান হোসেনকে আটক করে কলারোয়া থানা পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে কলারোয়া থানার এসআই রইচ উদ্দীন ও এএসআই মোস্তাক আহম্মেদ ঘটানা স্থলে আসেন এবং অভিযুক্তদের আটক করে থানায় নিয়ে যান। ৯জুন রোববার সকালে এ বিষয়ে কলারোয়া থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ শেখ মুনীর-উল-গীয়াস এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৮ জুন সালে অভিযুক্তদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কলারোয়া থানায় মামলা ১০(০৬)১৯ হয়েছে। রোববার সকালে আসামীদের আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।