১৩ বছর পর মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি গ্রেপ্তার


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৯ - ১১:১৯:৫৪ পূর্বাহ্ন

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. কামাল হোসেন জানান, ২০০৬ সালে বাবু ও তার লোকজন স্থানীয় মাছ বিক্রেতা সেন্টুর কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় বাবু ও তার সঙ্গীরা মায়ের সামনে সেন্টুকে এলোপাথারি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। তার চিৎকারে ছোট ভাই মিন্টু এগিয়ে আসলে তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক সেন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সেন্টুর বাবা মোহাম্মদ আলী টঙ্গী থানায় বাবু, রুবেল, আশরাফ ও সোলায়মান নামের চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ সবার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

ওসি কামাল বলেন, ২০১৬ সালে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফজলে এলাহী ভুঁইয়া ওই মামলায় চারজনেরই মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

“আসামিদের মধ্যে রুবেল ও আশরাফ গ্রেপ্তার কারাগারে রয়েছেন। বাবু ও সোলায়মান পলাতক ছিলেন। বুধবার সকালে বাবু ধরা পড়লেন। সোলায়মান এখনও পলাতক।”