হোম আইসোলেশনের মানসিক যন্ত্রনায়ও ভালোবাসা অটুট থাকুক


» এইচ এম মাহমুদ হাসান | | সর্বশেষ আপডেট: ১২ অগাস্ট ২০২০ - ১২:০৫:৪১ অপরাহ্ন

গোলাম রাব্বি প্লাবন, দেবিদ্বার প্রতিনিধি
কোভিড ১৯ (করোনা) এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য করোনা মহামারি শুরুর দিক থেকেই একটি চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়ে এখনো চলমান তা হচ্ছে রোগীর জন্য আলাদা বসবাসের ব্যবস্থা অথবা হোম আইসোলেশন।
হোম আইসোলেশন এ থেকে বেশিরভাগ রোগী সুস্হ হয়েছে নিঃসন্দেহে এ কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এবং এটি একটি কার্যত করোনার বিস্তার রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ এটা সবাইকেই মানতে হবে নির্দিধায়।
কিন্ত হোমে (আইসোলেশনে) থেকেও পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার শারীরিক যন্ত্রনার সাথে একটা মানসিক যন্ত্রনাও যে আছে সেটার উপলব্ধি কেবল

Image
আক্রান্ত ব্যাক্তিই বুঝে। আদরের সন্তানের কাছে যেতে না পারা, আদরের সন্তানরা বাবা মা ‘র সান্নিধ্যে আসতে না পারা উভয়ের জন্যই কষ্টের তা বলে বুঝানো যাবেনা।
যাদেরকে এক মুহূর্তও দূরে রাখা সম্ভব ছিলো না তাদেরকে করোনার কারনে চৌদ্দ দিন বা একুশ দিন কিংবা সুস্হ হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত ছুঁতে না পারা, জড়াতে না পারা যে কতো কষ্টের তা হারে হারে মানসিক যন্ত্রনার মাধ্যমে উপলব্ধি হয় করোনা পজিটিভধারীর।
এই যন্ত্রনা থেকে আমাদের মু্ক্ত করে দাও মহান প্রভু।
এ থেকে না হয় আমাদের শিক্ষা পেতে সাহায্য করো কিভাবে মৃত্যুর পর আমাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। কাছে থেকেও ভালোবাসা দিতে না পারা এ এক অন্যরকম যন্ত্রনার অনুভূতি।
তাই দুর থেকে হলেও হোম আইসোলেশন ভালোবাসা অটুট থাকুক। তবুও ভালো থাকুক প্রিয়জনদের শরীর স্বাস্থ্য।