হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি লাভ জনক নতুন মাহুত চক্র

মোঃ জাকিরুল ইসলামঃ আইনের বুড়ো আঙ্গুল দেখাতে সব সময়ই পারদর্শী বাঙ্গালি। তাই তো ঢাকার রাস্তায় অলিতে গলিতে, পাড়া-মহল্লায় বন্যপ্রাণি হাতির উদ্ভব। পিঠে চড়ে বসেন মাহুত। এমন ঘটনা নিত্য নতুন না, বারবার প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন বিপুল পরিমান টাকা আয় করছে একটি মহুত চক্র। রাজধানীর খিলক্ষেত বাজার, মগবাজার, ধনমন্ডি, উত্তরা, ঝিগাতলা, আব্দুল্লাহপুর, রামপুরা, পল্টন সহ বিভিন্ন এলাকায় হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করে টাকা তোলে একটি মাহুত চক্র। হাতির পিঠে চড়ে থাকা মাহুতের নির্দেশনায় এ দোকান ও দোকান ঘুড়ে শুঁড় উঁঠিয়ে টাকা আদায় করতে থাকে হাতি। কখনো রাস্তার মাঝখানে আবার কখনো যানবাহন আটকে ও টাকা দাবি সারা দিন ব্যস্ত শহর ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় হাঁটায়ে অর্থ আদায় করেন একটি চাঁদাবাজি মাহুত চক্র। অনেক সময় যানজট সৃষ্টি করে ও ধান্দাবাজি করেন তারা। সরেজমিনে দেখা যায় যে, খিলক্ষেত বাজার এর মিষ্টি ব্যবসায়ী বলেন, হাতি আমার দোকানের সামনে আসে আমি তখন ২০ টাকা দিলে তা না নিয়ে আমার উপর ফেলে দেয় পরে ৫০ টাকা দিলে তা নিয়ে যায়। এ বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় ব্যবসায়ী, চালক আর পথচারীদের। এরা সার্কাসের ন্যায় চাঁদাবাজি আনন্দের খোরাক জোগায় শিশুদের মনে; কিন্তু কেউ একবার ও ভাবে না কোথা থেকে কীভাবে এই নিরীহ প্রানীদের ঢাকায় এনে মানুয়কে জিম্মি করে এমন চাঁদা বাজি করা হচ্ছে। নির্বিকার পুলিশ ও প্রশাসন, হাতি বাণিজ্যে জড়িত কারোরই নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স। অথচ বাংলাদেশের বন্য প্রানী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ২০১২ তে উল্লেখ করা আছে লাইসেন্স ছাড়া বন্যপ্রাণী ব্যবহার দন্ডনীয় অপরাধ। এজন্য রয়েছে শাস্তির বিধান আর জরিমানা। অথচ শীত আসলেই দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে অবাধে আর নির্বিচারে পাখি শিকার। প্রশাসনের নেই কোন বিকার। প্রানী অধিকার কর্মীরা বলছেন বন্য প্রানীদের সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্বটা তাই মানুষেরই। হাতিগুলোকে বনে বা সাফারি পার্কে স্থানান্তর করা হোক। এটাই দেশের সকল সাধারন মানুষের আসা এবং প্রত্যাশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *