হাজীরহাট জোলাপ আবাসন প্রকল্পের সভাপতির আকস্মিক মৃত্যু ও তড়িঘড়ি দাফন


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ০৬ নভেম্বর ২০১৯ - ০৫:৫৩:০৩ অপরাহ্ন

রংপুর থেকে : রংপুরের হাজীর হাট জোলাপ আবাসন প্রকল্পের সভাপতি গোলজার হোসেনের আকস্মিক মৃত্যু ও তড়িঘড়ি দাফনে প্রশ্ন বিদ্ধ এলাকাবাসী। গত ২০ অক্টোবর ১৯ইং তারিখে নিজ আবাসন প্রকল্পের জলিলের চা’র দোকানে হাতাহাতির পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় গোলজার হোসেনের। এহেন মৃত্যুতে এলাকাবসীর মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ নং ওয়ার্ড হাজীর হাট জোলাপ আবাসন প্রকল্পের সভাপতি গোলজার হোসেন গত ১৯ অক্টোবর ১৯ইং তারিখ আনুমানিক রাত ১১টা’য় জলিলের চা’র দোকানে চা-বিস্কুট খেতে গেলে উক্ত প্রকল্পে নতুন লোক ওঠানো নিয়ে জলিল-খলিল দুই ভাইয়ের সাথে বাক-বিতর্ক এবং হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে গোলজার হোসেন অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

তাৎক্ষণিক উপস্থিত লোকজন-মোড়ল, রফিকুল ইসলাম, খলিল, জলিল, মহুবর ও পেয়ারী বেগম গোলজারকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। পরের দিন গত ২০ অক্টোবর গোলজারের আপনজন শুধু মেয়ে ছাড়া কেউ না থাকায় বিবাদীদের পরামর্শে কর্তব্যরত ডাক্তার কার্ডিয় রেসপাইরোটরী ফেইলর ও এ্যাকিউট স্ট্রোক দেখিয়ে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত- গোলজারের বাসায় কোনো পুরুষ ওয়ারিশ উপস্থিত না থাকায় তড়িঘড়ি করে তার লাশ দাফন করানো হয়।

গোলজারের মেয়ে পেয়ারী বেগম বলেন, আমার বাবাকে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় বাড়ির উঠানে নিয়ে এসেছিল। তারঁ স্ত্রী- ফিরোজা বেগম ও ঘটনাস্থলের উপস্থিত সাক্ষী শহিদার রহমানও একই কথা জানান। লাশ ধৌতকারী মোন্নাফ জানান, আমি লাশের ডান চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন লক্ষ্য করেছি। এ ব্যাপারে ওয়ার্ড কমিশনার রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বললে, তিনি হাতাহাতির কথা স্বীকার করেন। গোলজারের ছেলে ফেরদৌস মিয়া কর্মস্থল ঢাকা থেকে ফিরে এসে গত ৫ নভেম্বর ১৯ইং তারিখে বাদী হয়ে হাজীর হাট থানায় বাবার মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করে।