স্মার্ট কার্ড ও মোঃ শরীফুর রহমান


» উত্তরা নিউজ | অনলাইন রিপোর্ট | সর্বশেষ আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ - ০৪:১৮:৫১ অপরাহ্ন

আকাশ আহমেদ: হাঁটু সমান কাদা আর ঘাসে ভরা কামারপাড়া হাইস্কুল মাঠে লাইন ধরে স্মার্ট কার্ডের আবেদন জমা দেওয়া আর কার্ড রিসিভ করতে উত্তরা মডেল টাউনের মা বোন সহ উত্তরায় বসবাসরত সর্বস্তরের জনগণের। তখনকার যাতায়াতের করুন দশা, এলাকার মা বোন ও বয়স্কদের দুর্দশার কথা চিন্তা করে আমি ও শরীফ ভাই রাত ৯ টার সময় আমাদের প্রতিবেশী মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব নুরুল হুদা সাহেবের সাথে দেখা করি উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ৫ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী জননেতা মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন ভাইয়ের সহযোগিতায় ১১নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরীফুর রহমান কামার পাড়া স্কুল থেকে ১১নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির অফিসে স্মার্ট কার্ড কার্যক্রম স্থানান্তরের বিষয়ে যুক্তিসহকারে তুলে ধরলে ঘটনা বুঝতে পেরে সাদা সিধে জীবন যাপনে অভ্যস্ত জনাব নুরুল হুদা সাহেব বললেন “যেখানে জনগণের অসুবিধা হয় সেখানে আমরা থাকবো না” নুডলস, চা ও বিস্কুট আপ্যায়নের ফাঁকে তিনি আমাদেরকে আগামীকাল নির্বাচন কমিশন অফিসে আসার জন্য বললেন।
পরের দিন ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকায় আমি অনুপস্থিত থাকলেও মোঃ শরীফুর রহমান ও সমাজ সেবক এবিএম আতিকুর রহমান মুরাদ ভাইকে সাথে নিয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে কামার পাড়া স্কুল থেকে ১১নং সেক্টর কল্যাণ সমিতি অফিসে কার্যক্রম পরিচালনা করার অফিসিয়াল অর্ডার নিয়ে আসেন হাতে হাতে। ঢাকা ১৮ আসনের মা মাটি ও গণমানুষের নেত্রী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি নিজের স্মার্ট কার্ড গ্রহণ করার মাধ্যমে ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর কার্যক্রম উদ্বোধন করেছিলেন। তরুণ সমাজ সেবক মোঃ শরীফুর রহমানের নেতৃত্বে একক প্রচেষ্টা, এডভোকেট মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন ভাইয়ের ঐকান্তিক সহযোগিতা আমি ও এবিএম আতিকুর রহমান মুরাদ ভাইয়ের কিঞ্চিত শ্রমের বিনিময়ে উত্তরা পশ্চিম থানার জনগণ স্মার্ট কার্ড সংক্রান্ত যে সুবিধা পাচ্ছে তার জন্য আমি তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা ৫১ নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর, ১১নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরীফুর রহমানের একক প্রচেষ্টা ও কৃতিত্ব অর্জন বলে মনে করি।
দিন রাত অবিরাম জনগণের সেবায় নিয়োজিত মোঃ শরীফুর রহমানের উজ্জ্বল মসৃণ সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করছি।
লেখক: উপদেষ্টা, সেক্টর কল্যাণ সমিতি