সুপারকম্পিউটারের তালিকায় পিছিয়ে তৃতীয় অবস্থানে চীন


» উত্তরা নিউজ | অনলাইন রিপোর্ট | সর্বশেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০১৯ - ১২:১৫:১৪ অপরাহ্ন

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন সুপারকম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষস্থান আগেই হারিয়েছে চীন। সর্বশেষ তালিকায় এখন দেশটির শীর্ষ সুপারকম্পিউটারটির অবস্থান তৃতীয়।

’দ্যা টপ ৫০০’ নামের তালিকাটি প্রতি ছয় মাস অন্তর বিশ্বের শীর্ষ ৫০০টি সুপারকম্পিউটারের তালিকা হালনাগাদ করে। সে তালিকাতেই প্রথম দুটি অবস্থান নিয়েছে দুটি মার্কিন সুপারকম্পিউটার।

তালিকায় ২০০ পেটাফ্লপ প্রসেসিং ক্ষমতা নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ’সামিট’ নামের সুপারকম্পিউটার। এক পেটাফ্লপ মানে হচ্ছে সেকেন্ডে ১০ লক্ষ বিলিয়ন হিসাব করার ক্ষমতা। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে- ৩০ বছর ধরে কোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার যে হিসাব করবে সেই হিসাব করতে এই সুপারকিম্পিউটারের লাগবে ¯্রফে এক ঘণ্টা।

ছয় মাস আগের হিসাব থেকে সুপারকম্পিউটারের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জোরদার হয়েছে। ৫০০টি সুপারকম্পিউটারের মধ্যে ছয়মাস আগে আমেরিকার ছিল ১০৯টি সুপারকম্পিউটার আর নতুন তালিকায় রয়েছে ১১৬টি।

অবশ্য সুপারকম্পিউটার সংখ্যার দিক থেকে চীনের অবস্থান এখনও ১ নম্বরে- মোট ২১৯টি, যদিও ছয় মাস আগে তাদের ছিল মোট ২২৭টি।

সুপারকম্পিউটারগুলো বিশেষায়িত কাজ করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে জেট ইঞ্জিন ডিজাইন থেকে শুরু করে নিউরাল নেটওয়ার্ককে ট্রেইনিং করানোসহ বিভিন্ন জটিল হিসাব।

সর্বশেষ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মার্কিন এনার্জি বিভাগের সামিট, যেটি তৈরি করেছে আইবিএম। দ্বিতীয় অবস্থানেও রয়েছে আইবিএম-এরই আরেকটি সুপারকম্পিউটার- ’সিয়েরা’। এটিও কাজ করছে মার্কিন এনার্জি বিভাগের জন্য। তৃতীয় অবস্থানে আছে চীনের ‘সানওয়ে তাইহুলাইট’। এটি আছে চীনের ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং সেন্টারের অধীনে।

এই প্রথমবারের মতো দেখা যাচ্ছে শীর্ষ ৫০০টি সুপারকম্পিউটারের সবগুলোর ক্ষমতা অন্তত এক পেটাফ্লপের বেশি। আর সবগুলো সুপারকম্পিউটারের মিলিত ক্ষমতা ১.৫৬ এক্সাফ্লপ বা ১৫৬০ পেটাফ্লপ। শীর্ষ ৫০০ সুপারকম্পিউটারের মিলিত ক্ষমতা গত ছয়মাসে বেড়েছে শতকরা ১০ভাগ। আগের তালিকায় এটি ছিল ১.৪১ এক্সাফ্লপ।

চীন ও যুক্তরোষ্ট্রের পর তালিকায় সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটার জাপানের- ১৯টি। এরপর ১৮টি নিয়ে অবস্থান করছে যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স। আর তালিকায় জার্মানির আছে ১৪টি সুপারকম্পিউটার।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এরইমধ্যে আরও ক্ষমতাধর দুটি সুপারকম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ফন্টিয়ার এবং অরোরা নামের ওই দুটি সুপারকম্পিউটারের প্রতিটির ক্ষমতা হবে হাজার পেটাফ্লপের বেশি।