সারের দাম আবারো কমলো


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ - ০৮:১৯:৩৯ অপরাহ্ন

ডিএপি (ডাই এমোনিয়াম ফসফেট) সারের দাম ৯ টাকা কমানো হলো। এর বর্তমান মূল্য প্রতি কেজি ২৫ টাকার পরিবর্তে ১৬ টাকা। ডিলার পর্যায়ে এর দাম প্রতি কেজি ২৩ টাকার পরিবর্তে ১৪ টাকা। এর ফলে ডিএপি সারে সরকারের প্রণোদনা বাবদ বছরে ৮শ’ কোটি টাকা ব্যয় হবে, তবে এ টাকা কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে প্রণোদনা বাবদ বরাদ্দকৃত ৯ হাজার কোটি টাকা থেকে পূরণ করা হবে।

আজ কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, কৃষকের উৎপাদন খরচ হ্রাস, সুষম সার ব্যবহারে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করা, কৃষিক্ষেত্রে গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি-সহ পরিবেশবান্ধব টেকসই খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার সারের মূল্য পুনরায় হ্রাসের সিদ্ধন্ত গ্রহণ করেছে। সরকার এ নিয়ে পাঁচ দফায় সারের মূল্য কমালো। ৮০ টাকার টিএসপি সার ২২ টাকা, ৭০ টাকার এমওপি ১৫ টাকা ও ৯০ টাকার ডিএপি ১৬ টাকায় দেওয়া হচ্ছে। ডিএপি সারে ১৮ শতাংশ নাইট্রোজেন (অ্যামোনিয়া ফর্মে) এরং টিএসপি সারের সমপরিমাণের ফসফেট (অথাৎ ৪৬ শতাংশ চ২০৫) রয়েছে। ফলে এই সার প্রয়োগে ইউরিয়া ও টিএসপি উভয় সারের সুফল পাওয়া যাবে এবং ইউরিয়া ও টিএসপি সারের ব্যবহার হ্রাস পেয়ে অর্থ ও শ্রম উভয়ের সাশ্রয় হবে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ডিএপি সারের মূল্য হ্রাসের ফলে কৃষকের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হ্রাস পাবে।

আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, ডিএপি সার ব্যবহারে ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, ফসল পুষ্ট হয় ও কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পায়। এর ফলে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে ক্ষতিকর কীটনাশকের আমদানি কমে যাবে। সেই হিসেবে ডিএপি সার মানসম্পন্ন ফসল উৎপাদনে কার্যকর এবং পরিবেশবান্ধব।