সরিষা ফুল  হলুদের সমারোহ সৌন্দর্যের প্রকৃতি 


» উত্তরা নিউজ I সারাবাংলা রিপোর্ট | | সর্বশেষ আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ - ০৫:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন

মশিউর রহমান টুটুল (জামালপুর): জামালপুরের ৭ টি উপজেলা মেলান্দহ,মাদারগঞ্জ,ইসলামপুর,দেওয়ানগঞ্জ, বকশিগঞ্জ,সরিষাবাড়ি,সরিষা ক্ষেতের হলুদের সমারোহ সৌন্দর্যের প্রতিকের আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছে মানুষের ঢল নেমেছে ছবি তোলার রোপ রূপান্তর।সুন্দরের প্রকৃতি রূপে সোনালী বিকেলে ফটোসেশান করতে শহর বন্দর হতে ছুটে গ্রামে হাজার হাজার  মানুষ।ছবি তুলে সাথে সাথে পাঠিয়ে দিচ্ছে প্রিয়জন প্রিয়তমা  ফেইসবুক সহ অন্যান্য অনলাইন সংস্করণের বাজারে।
গতকাল রবিবার বিভিন্ন উপজেলায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,সরিষা ক্ষেত্রে দূরদূরান্ত থেকে আসা মৌয়ালরা মধু সংগ্রহ করতে ব্যাস্ত সময় পার করছে মৌমাছিরা ফুলে ফুলে শুভাশীত যায়গায় বসে মধু আহরণ করে।
ইসলামপুর উপজেলা গাইবান্ধা ইউনিয়নে ফুলকার চর গ্রামে ১৭৭টি বক্স নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা শ্যাম নগর থেকে আসা মধু সংগ্রহ কারী খামারের মালিক সাইফুল ইসলাম জানান,আমরা প্রতি বছর সরিষা ফসলের ফুলের  সময় অর্থাৎ পুষ মাসে দিকে বেরিয়ে পড়ি মধু সন্ধানে।দীর্ঘ ৬ মাস অথবা পুষমাস শুরু জৈষ্ঠ্যমাস শেষ এ ব্যবসায়িক কাজে নিয়োজিত থাকি।প্রশ্ন বক্সের মৌমাছি কি ভাবে যুগিয়েছেন উত্তরে বলেন,মৌমাছি ডেনমার্ক হতে আমদানি রপ্তানী করে ভারত(India)সেখান থেকে বাংলাদেশী মৌয়াল মৌমাছি ক্রয় করে। দেশীয় শূন্য বক্স নিয়ে ভরে নিয়ে আসতে হয়।মাথা মুখ লাল রঙের টুপি সহ নেটে ঢাকনা থাকতে হয়।তাহলে মাছি কামড়েতে পারেনা।
মধু সংগ্রহ শ্রমিক মাসুম জানান,যদি আবহাওয়া অনুকুলে রুদ্র থাকে তাহলে ৭দিন পর পর বক্স খুলে মধু বেড় করা  হয়,প্রতি বক্সে ৪-৫ কেজি ।প্রশ্ন মধু সংগ্রহ করে কি ভাবে বিক্রি করা হয়, মধু ক্রয় করতে বিভিন্ন ভাল কোম্পানির অফিসার আসে যেমন,স্কয়ার,প্রাণ,এপি,প্রতি মন কত টাকা বিক্রি হ?জবাবে ১৫ হাজার ১৮ হাজার, খুচরা বিক্রি ১কেজি ৫শত টাকা,৬ মাসে কি পরিমাণ অর্থ উপার্জন হয়?  সকল প্রকার ব্যয় শেষে ৪-৫ লক্ষ আয় ।আমাদের মধু শুধু দেশী কোম্পানি নয় অন্যান্য দেশে দেওয়া হয় যুক্তরাজ্য,যুক্তরাষ্ট্র,সিঙ্গাপুর,জাপান,কুয়েত Etc.মধু রোগের আরোগ্য করে তুলে।
সরিষা স্যালুমেশিনে,হাতে ভাঙা ঘানিতে পিষে তৈল বের করা হয়। এতে কুলুরা তৈল নিয়ে গ্রাম গঞ্জে হাট বাজারে বিক্রি জন্য বেরিয়ে পড়ে। প্রাচীন যুগে যেমন একটি দ্রব্য বিনিময়ে আরেকটি দ্রব্য সংগ্রহ করতো তেমনি কুলুরা তেল দিয়ে মরিচ ধান আলু তরিতরকারি জামা কাপড় যা পাওয়া যায় তা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে।সরিষা পাতা শাক সবজি হিসেবে ব্যবহৃত। সরিষা তৈল ওষধি মত বহুগুণে উপকারিতার সহয়তা করে ।
কৃষক ইদ্রিস আলী জানান,সরিষার বৃক্ষের ফুল দেখে ভাল ফলন বলে গণ্য করা যাবেনা। আবহাওয়া ভাল হলে,ফসলও ভাল হবে। তাতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠবে।
জামালপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান সরিষা টেরি ৭ ব্যারি ৮ চলতি মৌসুমে উচ্চ সরিষা বিভিন্ন প্রজাতির চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ফলন ভাল হবে।