সফলতার ৫ম বছরে ফয়জুল আবরার


» মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান | উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার | সর্বশেষ আপডেট: ১০ অগাস্ট ২০২০ - ০৯:২৪:৩৩ অপরাহ্ন

শিক্ষা যদি জাতির মেরুদন্ড হয় তাহলে ইসলামী শিক্ষা জাতির প্রাণ।কারণ প্রাণ থাকলে প্রাণী আর মনুষ্যত্ব না থাকলে মানুষ হয়না।আর এই মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হয় শিক্ষার মধ্য দিয়ে।শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড কথাটির সাথে আমি একমত হতে পারিনা।কারণ গতানুগতিক শিক্ষা অর্জন করে অনেকেই স্বীকৃত চোর ডাকাত হয়েছে তার প্রমাণ ভূরি ভূরি। একটি জাতির উন্নতি আর সমৃদ্ধি নির্ভর করে তার শিক্ষা ব্যবস্থার উপর।

দেশের অধিকাংশ মানুষ যখন চুরি ডাকাতি আর দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয় তখন সে দেশে নেমে আসে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয়।এই অচলাবস্থা থেকে উত্তরণের পথ হলো সরকারি,বেসরকারি প্রতিটি পদে নৈতিকতার মানদন্ডে উত্তীর্ণ এমন লোকদের পদায়ন করা।আমাদের বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা একজন শিক্ষার্থীকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারেনা।

যার ফলশ্রুতিতে প্রিয় মাতৃভূমি একে একে পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এতে জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত,ক্ষুদ্ধ ও অনুতপ্ত। কিন্তু যারাই দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে তাদের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ অনুশোচনা নেই।হয় না অনুতপ্ত ও লজ্জিতও। তাদের মধ্যে যদি ইসলামের জ্ঞান থাকত,হৃদয়ে যদি পবিত্র কোরআন গ্রঁথিত থাকত তাহলে দুর্নীতি করার আগে শতবার ভাবতো।

দুর্নীতি করার পর হলেও অনুতপ্ত হতো,নিজেকে শোধরানোর চেষ্টা করতো।কোরআনের ইলম না থাকার কারণে দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ নৈতিকতা বিবর্জিত কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে যা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্য শুধু হুমকিই নয় রীতিমত ঠিকে থাকার চ্যালেঞ্জ।এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী শিক্ষা।শৈশবে যা শিখানো হয় তাতেই অটল ও অবিচল থাকে শিশুরা যা বড় হয়েও কর্মজীবনে প্রভাব ফেলে।

যে শিক্ষার্থী শৈশব থেকে নৈতিকতার ছবক পাবে সে বড় হলেও নৈতিকতা বিসর্জন দিবেনা।সে যদি এসপি ওসি,আমলা,সচিব, এমপি মন্ত্রী হয় তখনও সে নীতি আদর্শে অটল ও অবিচল থাকবে।নৈতিকতা বিবর্জিত লোক ইসলাম,দেশ,মানবতা ও স্বাধীনতার চরম শত্রু।জাতি হিসেবে আমরা যত তাড়াতাড়ি এই সত্যতা উপলব্ধি করতে পারবো ততই ব্যক্তির, সমাজের ও কল্যাণ হবে।

সেই দেশপ্রমিক ও আদর্শবান নাগরিক তৈরির মহৎ চিন্তা থেকে চট্টগ্রাম রাহাত্তারপুলে সূচনা হয় “ফয়জুল আবরার ” নামের একটি মানসম্মত, যুগোপযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্টান যারা একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বদ্ধপরিকর।শিক্ষার্থীকে আদর্শিক, নীতিবান ও যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ করে গড়ে তুলয় যাদের লক্ষ্য।বার্ধক্য উপনীত হলে আপনার সন্তান যাতে পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুকরণে আপনাকে অবহেলা না করে,যাতে অসুস্থ ও দুর্বল শরীর নিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে ধুঁকে ধুঁকে দিনাতিপাত করতে না হয় সে জন্যে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সন্তানকে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা আপনার একান্ত কর্তব্য।

এতে ইহকাল ও পরকাল উভয় ভবে আপনি উপকৃত হবেন।সন্তানের অপকর্মের জন্যে আপনাকে ইহকালীন ও পরকালীন জিন্দেগীতে অপমাণিত ও অপদস্ত হতে হবে না। আপনার সন্তানকে আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে “ফয়জুল আবরার মাদরাসা” প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।আশা করি,শিক্ষার সুষ্ঠু, সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে আপনার সন্তান বেড়ে উঠবে যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একজন দক্ষ সৈনিক হিসেবে।