শাহেদদের গ্রেফতারে খুশী কেন দেশবাসী

গোলাম রাব্বি প্লাবন

» এইচ এম মাহমুদ হাসান | | সর্বশেষ আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২০ - ১০:৪৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

দেশ স্বাধীন হয়েছে প্রায় পঞ্চাশ বছর। স্বাধীনতা অর্জন করতে গিয়ে ইজ্জত ও  জীবন দিয়েছে লাখো লাখো মানুষ এটা আমরা সবাই জানি। আর এটাও কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে জীবন বিসর্জন দেয়া মানুষগুলো ৯৫% ই সাধারন জনগণ।
তাহলে কাঙ্খিত স্বাধীনতার সুফল পাওয়ার বেশী দাবীদার এদেশের সাধারন জনগণ। যা দুখের সাথে বলা যায় তা আজো পায়নি। অনস্বীকার্য সত্য  এদেশকে অধিক ভালোবাসা সাধারনেরাই।
স্বাধীনতার সুফল থেকে সাধারণ মানুষদের বঞ্চিত করছে কিছু চোর,  কুলাঙ্গার, দুর্নীতিবাজ ও  ক্ষমতার অপব্যবহারকারীরা। দেশের মানুষের স্বার্থ এরা একাই হরণ করতে চায়।
স্বাধীনতার স্হপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানই বলে গেছেন যে সবাই পায় সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। এই চোর বুঝাতে  সাধারণ জনগনকে বুঝাননি ওনি কাদের বুঝিয়েছেন তা আমরা সবাই বুঝি।
আরেক জায়গায় ওনি বলেছেন আমি বিদেশ থেকে আমার দেশের জনগনের জন্য ভিক্ষা টাকা আনি আর চ্যাটার গুষ্টিরা সব চেঁটে চেঁটে সব শেষ  করে ফেলে। এই কথাগুলো বঙ্গবন্ধু কাদেরকে বুঝিয়েছেন তা বুঝতে কোনো সমঝদার ব্যক্তি হওয়া লাগবে না। এদের দাপটে যেমন তিনি ছিলেন অতিষ্ঠ তেমনি এদেশের সাধারণ জনগন আজো অতিষ্ঠ।
আঠারো কুটি মানুষের মধ্যে এদের সংখ্যা বেশী থেকে বেশী হলে হাজার খানেক হবে অথচ এদের কাছেই জিম্মি পুরো দেশ। কখনো কখনো রাষ্ট্র ব্যবস্থা। দুখের বিষয় হলো এরা রাষ্ট্র যন্ত্রকেই কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করে অপকর্মগুলো করে।
আফসোসের ব্যাপার হলো সাধারণ জনগনের কষ্টের আর্তনাদ রাষ্ট্রের কানে পৌঁছে না।
রাষ্ট্র যখন জনগনের কথা শুনে কখনো কখনো এগিয়ে আসে তখনই জনগন খুশী হয়। আর রাষ্ট্র যখন এদের মদদ দেয় জনগনমনে তখন হাহাকার হয়।
জনগন এমন রাষ্ট্র চায় যে রাষ্ট্র সাধারণের, খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকবে। অধিকার বঞ্চিতদের অধিকার নিশ্চিত করবে। সর্ব্বোপরি  আইনের শাসন কায়েম হবে।
দুর্নীতি বাংলার সাধারণ জনগন বুঝে না। তারা বুঝে আমার রাষ্ট্র আমার কথা বলবে। আমাদের কেউ অন্যায়ভাবে শোষণ করবে না। আমাদের নাগরিক অধিকার কেউ ছিনিয়ে নিবে না।
তখনই খুশি হয় যখন অধিকার হরণকারীর বিরুদ্ধে কেউ সোচ্চার হয় এবং  রাষ্ট্র এদেরকে আইনের আওতায় আনে। ।
আমরা সেই রাষ্ট্রের অপেক্ষায় আছি থাকবো ইনশাআল্লাহ।