শতভাগ বিশ্বাসী আফসার, সুষ্ঠু নির্বাচন চায় সেগুন

ডিএনসিসি ১নং ওয়ার্ড

» মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান | উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার | সর্বশেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২০ - ০৯:১৯:১৬ অপরাহ্ন

উত্তরার সেক্টরগুলোর বেশিরভাগ অংশ নিয়ে গঠিত ডিএনসিসি ১নং ওয়ার্ড। রাজধানী উন্নয়নের ধারায় জৌলুসে আসা উত্তরা নাগরিক সুযোগ-সুবিধার দিক দিয়ে অনেক আগ থেকেই স্বয়ংসম্পূর্ণ। বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসার কমতি নেই এই ওয়ার্ডটিতে। এখন পর্যন্ত নাগরিক সুবিধা শতভাগ নিশ্চিত না হলেও অন্যান্য ওয়ার্ডগুলোর তুলনায় এখানকার বাসিন্দারা পাচ্ছেন নানারকম ফ্যাসিলিটি। আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ডটিকে আরও উন্নত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি নিয়ে নির্বাচনী মাঠে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন অত্র ওয়ার্ডে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত গতবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ঝুড়ি প্রতীকের প্রার্থী আফসার উদ্দিন খান ও বিএনপি মনোনীত ঠেলাগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন।


নির্বাচনের আরও খবর পড়ুন


নির্বাচনী মাঠে দলীয় কর্মী-সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীদের পাশে নিয়ে দিনভর এ কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। গত পাঁচ বছর ওয়ার্ডটিতে আফসার উদ্দিন খান কাউন্সিলর থাকাকালীন উত্তরার উন্নয়নে বেশ অবদান রেখেছেন তিনি। ফলে সেক্টর সোসাইটির নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ডবাসীর কাছে বেশ পরিচিতি অর্জন করেছেন আফসার উদ্দিন খান। তাই এবারের নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছেন এই প্রার্থী। অপরদিকে, দল দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকায় বিভিন্ন হামলা মামলায় জর্জরিত অত্র ওয়ার্ডে বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন নির্বাচনী প্রচারণায় কেবলমাত্র দলীয় কর্মীদের পাশে পেলেও প্রচারণার মাঠে সমর্থকদের তেমন একটা পাশে পাচ্ছেনা। তবে, সমর্থকদের সাড়াতেই এগিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে সম্প্রতি প্রতিপক্ষের হামলায় চার কর্মীর গুরুতর আহত হওয়ার বিষয়টিও প্রচারণা মাঠে সমর্থকদের পিছিয়ে থাকার কারণও বটে। তবে, এতে করে কোন ভয় পাচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন। তার মতে, আন্দোলনের অংশ হিসেবে দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। তাই দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক শেষ পর্যন্ত মাঠে লড়বেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এ ওয়ার্ডে জনগণ তাকেই ভোট দিবে বলে মনে করছেন এই প্রার্থী।

এদিকে, দীর্ঘদিন কাউন্সিলর দায়িত্বে থাকা আফসার উদ্দিন খান যেহেতু উত্তরার সেক্টরগুলোর অধিকাংশ সেক্টর নিয়ে গঠিত ১নং ওয়ার্ডের উন্নয়নে নিরলসভাবে পরিশ্রম করে গেছেন এবং এরই ফল হিসেবে এখানকার জনগণ রাস্তাঘাট, পার্ক, খেলার মাঠ, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সুবিধা থেকে শুরু নানাবিধ সুবিধা পাচ্ছেন। আর তাই আগামীতে অত্র ওয়ার্ডের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভোটাররা আসন্ন নির্বাচনে ঝুড়ি প্রতীকে ভোট দিবে বলে মনে করছেন তিনি। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী আফসার উদ্দিন খান আসন্ন নির্বাচনে কাউন্সিলর হতে পারলে পুরো উত্তরাকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় এনে অত্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শতভাগ নিশ্চিত করাবে বলে জানিয়েছেন। উত্তরা নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ প্রতিশ্রুতির কথা ব্যক্ত করেন তিনি। অপরদিকে, ১নং ওয়ার্ডে জয় পেতে বেশ আশাবাদী বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সেগুনও।

আসন্ন ডিএনসিসি নির্বাচনে এই ওয়ার্ডটি আওয়ামী লীগ, বিএনপি উভয়ের জন্যই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও সমর্থকগণ ওয়ার্ডটিতে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। আসন্ন ভোটের মাঠে জনগণ তাদের সুচিন্তিত রায়ের মাধ্যমে সঠিক প্রার্থীকেই কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত করবেন বলে জানিয়েছে এই দুই প্রার্থী।