রোহিঙ্গাদের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের সংস্থান দূরুহ ব্যাপার: প্রধানমন্ত্রী


» উত্তরা নিউজ | অনলাইন রিপোর্ট | সর্বশেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০১৯ - ০৮:৫০:১৭ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমারে মৌলিক অধিকারবঞ্চিত, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা স্বাভাবিকভাবেই অসন্তুষ্টিতে ভুগছে। তাদের রয়েছে অনেক অভাব, অভিযোগ। এদেরকে অতিদ্রুত ফেরত পাঠাতে না পারলে আমাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদের (কিশোরগঞ্জ-২) টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১১ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের অনির্দিষ্টকালের জন্য অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের সংস্থান করা আমাদের জন্য দূরুহ ব্যাপার। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে প্রথম থেকেই  একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের এসব নাগরিক এখানে স্বেচ্ছায় আসেননি। সেদেশের সেনাবাহিনী তাদেরকে জোর করে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করেছে। নির্মম নির্যাতনের শিকার এসব মানুষের খাদ্য, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য সেবাসহ মৌলিক মানবিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি ছিল। এজন্য আমরা তাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছি। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় এনজিও’র সঙ্গে সমন্বয় করে এই বিপুলসংখ্যক নাগরিকদের আমরা আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান করছি।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ব জনমত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অব্যাহতভাবে আমাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ এ বিষয়ে মানবাধিকার কমিশনে একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার তাদেরকে এ বিষয়ে কাজ করতে দিচ্ছে না। মিয়ানমারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও আমরা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক দুটি পথই খোলা রেখেছি।