রামগঞ্জ জিয়াউল হক হাই স্কুল থেকে কেথুড়ী এতিমখানা পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশা 


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০১৯ - ০৩:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৩নং ভাদুর ইউনিয়নের জিয়াউল হক হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে কেথুড়ি এতিমখানা পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশা।
এই সড়কটিকে জুড়ে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউসুফ আলী, সাবেক এমপি ও মন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়া এবং নুরে আলম চৌধুরী সহ আরো অনেক গুণীজনদের বাড়ি।
১৪১০ মিটার দৈর্ঘ্য সড়কটি ২০০৪ সালে কাচাঁ থেকে পাকাকরনের পর ২০১০ সাল পর্যন্ত ভালো থাকলেও এর পর থেকে ১০ বছর সড়কটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি৷সংস্কারের ৬ বছর পর থেকে সড়কটির কার্পেটিং উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও দু’পাশ ভেঙে আস্তে আস্তে বেহাল অবস্থা হতে থাকে। এলাকাবাসী সড়কটি সংস্কারের জন্য লক্ষীপুর এলসিডি অফিস ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি করে আসছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগেও লিখিত আবেদন করেছেন। সড়ক দুর্ঘটনা ও বার বার যানবাহন নষ্ট হওয়ার কারণে গত কয়েক বছর থেকে মালিকরা এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। খুব অল্প সংক্ষক রিকশা, সিএনজি চলাচল করলেও ভাড়া দিতে হয় প্রায় তিন চারগুণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এলজিডি কর্তৃপক্ষ এক বছর পূর্বে সড়কটি সার্ভে করে যায় কিন্তু সার্ভে করে যাওয়ার পরেও এখনো সংস্কারের জন্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।এই সড়ক জুড়ে রয়েছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ টির মতো বাড়ি,৬ টির মতো রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইউপি পরিষদ সহ অন্যান্য কর্মসংস্থান।
কেথুড়ী গ্রামের হাবিবুর রহমান ও কেথুড়ী এতিমখানার সহ-সুপার মাওলানা আবু বকর সহ স্থানীয়রা জানায়, সড়কটি সংস্কারের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কয়েকবার আবেদন করেছি।এবং কয়েকবার উপজেলা ইঞ্জিনিয়াররা এসে রাস্তা মেপেছে। মানুষ প্রয়োজনীয় কাজে রামগঞ্জ শহরে, হাট বাজারে যাওয়া আসায় খুব কষ্টভোগ করছেন। শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে না এবং  রোগীদেরকে নিয়েও চরম বিপাকে পড়তে হয়।
উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের বলেন, গত দু’বছর আগে ২০ টির মতো ঝুকিপূর্ণ সড়কের লিস্ট পাঠিয়েছি কিন্ত আমারা মাত্র ৮টি সড়ক সংস্কারের অনুমতি পাই,বাকিগুলো সংস্কারের অনুমতি পাইনাই।বাজেট অনুযায়ী কাজের গতি বৃদ্ধি পায়।প্রতিবছর যে বাজেট আসে আমাদের কাছে দেখাগেছে মেইন মেইন সড়কগুলো সংস্কার করার পর বাকিগুলো করার বাজেট থাকেনা। এখন আবার পুনরায় সংস্কারের লিস্ট এমপি মহোদয়ের কাছে পাঠিয়েছি।তবে আমরা আশাবাদী এই সড়কটি এই ধাপে সংস্কার হবে।