রাবি প্রক্টরকে ‘কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার স্মারকলিপি প্রদান


» উত্তরা নিউজ I সারাবাংলা রিপোর্ট | | সর্বশেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০১৯ - ০৭:২৫:২৪ অপরাহ্ন

কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাবি প্রক্টরকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ৩ টার সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। এসময় কনজ্যুৃমার ইয়ুথ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,  সাংগঠনিক সম্পাদকসহ অনেকেই উপস্হিত ছিলেন।

কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মূল দাবি হচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা চলকালীন সময়ে খাবারের মূল্য বৃদ্ধি না পাওয়া এবং মান অক্ষুণ্ন রাখা। আগামী ২১ এবং ২২ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা প্রক্টরের কাছে ৭ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি সমূহ হচ্ছেঃ

১. ভর্তি পরীক্ষার সময় খাবারের মূল্য বৃদ্ধি না পায়।
২. ডাইনিং, ক্যান্টিনসহ ক্যাম্পাসের সকল দোকানের খাবারের মান পূর্বের ন্যায় অক্ষুন্ন রাখা।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন প্রতিটি দোকানের মূল্য তালিকা প্রকাশ করা।
৪. ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকানের প্রতি বিশেষ নজরদারি রাখা।
৫. এ বিষয়ে প্রশাসনের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বিজ্ঞপ্তি আকাশে প্রকাশ করা।
৬. পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অভিযান পরিচালনা করা।
৭. অভিযোগ সেল গঠন করে তাক্ষণিক বিচার নিশ্চিত করা।

কনজ্যুৃমার ইয়ুথ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি কাজী জহিরুল ইসলাম বলেন, “প্রতি বছরই ভর্তি পরীক্ষার সময় ক্যাম্পাসের খাবারের মূল্য বৃদ্ধি, মান হ্রাস,অস্বাস্থ্যকর খাবারসহ ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘিত হতে দেখা যায়।!

এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান ভর্তি পরীক্ষার সময় খাবার সম্পর্কিত সবকিছু তদারকি এবং অভিযোগ সেল গঠন করার আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, “আমরা তাদেরকে (দোকানদার) চিঠি দিব এবং তাদের সাথে বসে এ ব্যাপারে কথা বলব।” রাবি প্রক্টর ডাইনিং ও ক্যান্টিনের খাবারের মান অক্ষুণ্ণ রাখার  বিষয়ে সব হলের প্রভোস্টের সাথে আলোচনা করার পরামর্শ দেন।

উল্লেখ্য কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ২০১৮ সালের ২৭ অক্টোবর প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভোক্তা অধিকার এবং খাদ্য ভেজাল এর ব্যাপারে নানা সেমিনার ও প্রচারণা চালিয়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে।