রঙ মিশিয়ে বিক্রি করছে মহিষের মাংস 


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ - ০৬:২৫:৪১ অপরাহ্ন

শহিদুল্লাহ সরকার: সাভারে অবৈধভাবে হিমায়িত মহিষের মাংস আমদানি করে লাল রঙ মিশিয়ে বাজারে বিক্রি করার দায়ে মো. সুমন নামে এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার হেফাজত থেকে ষাট কেজি আমদানি নিষিদ্ধ হিমায়িত মহিষের মাংস ও লাল রঙ জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের  হেমায়েতপুর এলাকার মোল্লা সুপার মার্কেটের মাংসের দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাব-৪ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুর রহমান। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মো. সুমন (২৭) সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের জয়নাবাড়ী এলাকার মো. আলী মিয়ার ছেলে।
তিনি  দীর্ঘদিন ধরে মোল্লা সুপার মার্কেটে অবৈধভাবে আমদানি করা হিমায়িত মহিষের মাংসের সঙ্গে রং মিশিয়ে বিক্রি করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। এ ঘটনায় নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩৩ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এর আগে মোল্লা সুপার মার্কেটের মাংস ব্যবসায়ী মো. ফারুক হোসেনের দোকানে অভিযান চালিয়ে আমদানি নিষিদ্ধ ৪০ কেজি হিমায়িত মহিষের মাংস জব্দ করা হয়। সে স্থানীয় যাদুরচর এলাকার মৃত মহিউদ্দিনের ছেলে।
এ ঘটনায় নিরাপদ খাদ্য আইনে ২০১৩ এর ৩৩ ধারা মোতাবেক তাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই আইনে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার দিঘরগাথী গ্রামের মৃত আলী হাসানের ছেলে এনামুল হকের (৩৪) কাছ থেকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে সাভার পৌর এলাকার ভাটপাড়া মহল্লায় বাসা নিয়ে হাসান এন্টারপ্রাইজ নামে ভারত থেকে অবৈধভাবে মহিষের মাংস আমদানি করে সংরক্ষণ ও বাজারজাত করে আসছিল। এ সময় তার হেফাজত থেকে প্রায় চার শত পঞ্চাশ কেজি হিমায়িত মহিষের মাংস জব্দ করা হয়েছে।
র‍্যাব-৪ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিছুর রহমান জানান, সাভারের ভাটপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে অবৈধভাবে ভারতে থেকে মহিষের মাংস আমদানি করে সংরক্ষণ ও বাজারজাত করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডঃ মো. ফজলে রাব্বীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সিপিসি-২, র‌্যাব-৪, নবীনগর ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর শিবলী মোস্তফাসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।