মুখোশের আদলে মাস্ক তৈরি করা হয়েছে


» এইচ এম মাহমুদ হাসান | | সর্বশেষ আপডেট: ১০ অগাস্ট ২০২০ - ১১:২২:৪৫ পূর্বাহ্ন

এখনো করোনা আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্ব। করোনা রোধে সবাই মাস্ক ব্যবহার করছেন। মাস্ক যেন জনজীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তাই তো এখন বাজারে কয়েক ধরনের মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার মুখোশের আদলে মাস্ক তৈরি করা হয়েছে। খুব অল্প সময়েই তা জনপ্রিয়তাও পেয়েছে।

জানা যায়, ভারতের পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির চড়িদাকে আসলে ‘মুখোশ গ্রাম’ বলা হয়। সেখানকার মুখোশ নির্মাতারা এবার অভিনব মাস্ক তৈরি করেছেন। নিজেদের উপার্জনের উপায় হিসেবে তারা মুখোশ-মাস্ক তৈরি করেন। ফলে করোনার কারণে তাদের এ মুখোশ-মাস্ক সহজেই হয়ে উঠেছে ফ্যাশনের অনুষঙ্গ।

সূত্র জানায়, নারী-পুরুষের মুখের আদলে তৈরি করা হচ্ছে মাস্ক। সেই মাস্কে ফুটে উঠছে মুখোশ। যেভাবে কাগজ বা কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয় আসল মুখোশ। মুখোশের পেছনে থাকে মাস্কের কাপড়। তা কানের কাছে বা মাথার পেছনে বেঁধে নিতে হয়। এ মুখোশ-মাস্কের দাম ২০০ টাকা। মুখোশের আড়ালে থাকা মাস্ক আলাদা করে পরিষ্কারও করা যায়।

মুখোশ শিল্পী জগদীশ সূত্রধর বলেন, ‘চৈত্র-বৈশাখ ছৌ পালার মুখোশ বিক্রির মৌসুম। কিন্তু সে সময় টানা লকডাউন থাকায় দোকান বন্ধ ছিল। মুখোশ বানাতে আনা কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বিপুল ক্ষতি হয়। এখন দোকান খুললেও সংক্রমণের ভয়ে পর্যটকরা আসছেন না। ফলে মুখোশের বিক্রি নেই। তাই তো মুখোশ-মাস্ক নিয়ে বাজারে আসি।’

এখন চড়িদা গ্রামের অনেক শিল্পী এ মুখোশ-মাস্ক বানিয়ে কঠিন সময়ে আয়ের পথ নিশ্চিত করেছেন। শিল্পী জন্মেজয় সূত্রধর বলেন, ‘এ মুখোশ-মাস্ক ফ্যাশনেরও অংশ হয়ে গেছে। শপিং মলগুলো আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। কয়েক দিন আগে এ মুখোশ-মাস্ক ঝাড়খণ্ডেও পাঠিয়েছি।’