মিঠুন এখন কলকাতা পুলিশের বিজ্ঞাপনের ‘মডেল’


» উত্তরা নিউজ | অনলাইন রিপোর্ট | সর্বশেষ আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০১৯ - ০৬:০৮:৪৪ অপরাহ্ন

এতদিন অস্ট্রেলিয়া কিংবা নিউজিল্যান্ডে গিয়ে গতিময় পেসারদের ভয়ংকর সব বাউন্সারে ঘায়েল হতো বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু এখন বাড়ির পাশেই সুযোগ হয়েছে এমন ‘অভিজ্ঞতা’ অর্জনের।

ভারতেই এখন আছে ভয়ংকর সব বিশ্বমানের পেসার। তাদের কাছেই কুপোকাত হয়েছে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুনের হেলমেটে বল লাগার একটি ছবি দিয়ে রীতিমতো বিজ্ঞাপন তৈরি করেছে কলকাতা পুলিশ।

অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে পোস্ট করা ‘রাখে হেলমেট মারে কে’ ক্যাপশন দিয়ে পুলিশ আসলে বাইক আরোহীদের হেলমেট পরার গুরুত্ব বোঝাতে চেয়েছে। ইডেন টেস্টের প্রথম দিন ২১তম ওভারে মোহাম্মদ শামির প্রথম বলটি ছিল বাউন্সার। সেটি গিয়ে লাগে লিটন দাসের হেলমেটে। তার পরের ওভারেই ইশান্ত শর্মার বাউন্সার ফের লাগে লিটনের মাথায়। হেলমেটের উপর আছড়ে পড়া বলের আঘাত লাগে মাথাতেও। তাকে স্ক্যান করার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্ক্যানে কিছু পাওয়া না গেলেও আর মাঠে ফিরেননি তিনি। প্রথমবারের মতো ‘কনকাশন সাব’ নামায় বাংলাদেশ।

একই দিনে মোহাম্মদ শামির ঘাতক ডেলিভারি আছড়ে পড়ে নাঈম হাসানের হেলমেটে। বলটি এত জোরে ছিল যে নাঈমকেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তারও স্ক্যানে কিছু মেলেনি এবং লিটনের মতো তিনিও আর মাঠে ফেরেননি। দ্বিতীয় দিনেও বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস চালাকালিন ইশান্ত শর্মার একটি আগুন ঝরানো ডেলিভারি থেকে শেষ মুহূর্তে চোখ সরিযে নেন মোহাম্মদ মিঠুন। ফলে ইশান্তের সেই বিষাক্ত ডেলিভারি লাগে মিঠুনের হেলমেটে। আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় মাঠে। ভারতীয় ক্রিকেটাররা মিঠুনকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি ঠিক আছেন কিনা। মিঠুন জানান, ঠিক আছেন।

বার বার হেলমেট কী ভাবে ব্যাটসম্যানদের প্রাণ বাঁচাচ্ছে সেটাই তুলে ধরতে চেয়েছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। কারণ, বাংলাদেশের মতো ভারতেও বাইক আরোহীদের বেশিরভাগই হেলমেট পরতে চান না।

সূত্র: কালের কন্ঠ