মাধবদীতে নতুন করে ১ দিনে ১৬ জন সহ মোট ৪২ জন করোনায় আক্রান্ত


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ১৭ মে ২০২০ - ০৯:২৫:৫৬ অপরাহ্ন

মাধবদীতে নতুন করে আরো ১৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে নরসিংদী সিভিল সার্জনের তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে। সিভিল সার্জন কর্মকর্তা ডা.মোহাম্মদ ইব্রাহীম টিটন জানান।
গত বুধবার (১৩ মে) নরসিংদী জেলা হতে  সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো ১৪৪ টি নমুনার মধ্যে ৩৭ টির পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছে নরসিংদী সদরে ২০ জন, মাধবদী ১৬ জন ও বেলাবোতে ০১ জন। ১৩ মে এর প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী মাধবদীতে মোট কোভিট-১৯ আক্রান্ত সংখ্যা সর্বমোট ৪২ জন। মাধবদীর নতুন আক্রান্ত ১৬ জন হলেন-  লিটন রায় (৪৮), সোনিয়া রায় (৩০), প্রবীর রায় (৩২), বৃষ্টি রায় (১১), মিষ্টি রায় (১৮), মনা রায় (২০), পিয়াল রায় (১৫) প্রিয়সী রায় (১০), সুপ্রিয়া রায় (৩৫), প্রোটন রায় (২৪), পপি রানী রায় (৪০), লক্ষী রানী রায়(৭৫), কৃষ্টি রায় (১৪), সুপ্রিয়া রানী রায় (৩১), নিবিড় রায় (৮) ও নন্দিতা রানী রায় (১১)।
তবে, মাধবদীতে সিভিল সার্জন তথ্য মোতাবেক নতুন ১৬ জন হলেও এর বাইরে ওমর ফারুক (৩০) নামে আরো একজন আক্রান্ত হবার খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত সবাই মাধবদী কাশিপুরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। শনিবার (১৬ মে) রাত ১১.৩০ টার দিকে এসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন নরসিংদী সিভিল সার্জন কর্মকর্তা ডা.মোহাম্মদ ইব্রাহীম টিটন।
এদিকে ১৪, ১৫ ও ১৬ মে পাঠানো নমুনার রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি। অপরদিকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মাধবদী বাজার ১৬ মে তারিখের পর লকডাউন শিথিল করে শর্ত সাপেক্ষে চালু করার কথা থাকলেও মাধবদীতে দিন দিন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি ও একই দিনে নতুন করে ১৭ জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসায় পৌর প্রশাসন তা বাতিল করে ৩০ মে পর্যন্ত লকডাউন বৃদ্ধি ঘোষণা করেছে।
মাধবদী পৌর মেয়র হাজ্বী মোশাররফ হোসেন প্রধাণ মানিক মাধবদী এলাকাকে পূনরায় লকডাউন ঘোষণা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় সবাইকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া যেন কেউ ঘর হতে বের না হয়। এবং মাধবদী এলাকার বাহির হতে যেন কেউ মাধবদীতে প্রবেশ না করে, করলে তাকে কঠিন বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
সকল ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্দ ঘোষণা করে ব্যাবসায়ীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত শুধু মাত্র হাসপাতাল ও ঔষধের দোকান ছাড়া কেউ যেন কোন দোকানপাট চালু না করে। অন্যথায় দোকানের লাইসেন্স বাতিল সহ আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।