শিপার মাহমুদ (জুম্মান) শিপার মাহমুদ (জুম্মান)
স্টাফ রিপোর্টার, উত্তরা নিউজ


মাউশিকর্তৃক বাতিলকৃত আদেশ তামিল করার দাবী বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোর






বিগত ২৭ বছর যাবত বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলো মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য বিএড ট্রেনিং-এর মাধ্যমে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করে আসছে। স্নাতক ডিগ্রি নেয়া এসব শিক্ষক পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সাথে সাথে উচ্চতর বেতন স্কেল পেয়ে আসছে। ২০০৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষণের গুণগত মান বিবেচনায় এনে ৩৭টি কলেজকে লাল তালিকাভুক্ত করে। পরবর্তীতে কয়েকটি কলেজ সংক্ষুব্ধ হয়ে আইনের আশ্রয় নেয়। মহামান্য হাইকোর্ট এসকল কলেজ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের সনদের সাময়িক বৈধতা দেয়। এই মর্মে বিগত ১৪/০৫/২০১৯ খ্রি. মাউশি কর্তৃক একটি একপেশে পত্রাদেশের মাধ্যমে (স্মারক নং- ওএম-০১-ম/২০১৫/২১৮০, তারিখ-১৪/০৫/২০১৯) মামলার রায় পাওয়া কেবল ২৩টি কলেজ ব্যতীত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত অবশিষ্ট ৫০টি কলেজ-এর সনদ বিএড স্কেল প্রদান না করতে সকল আঞ্চলিক পরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেয়া হয়। বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মোঃ নজরুল ইসলাম খান বলেন, মাউশির এই অবৈধ আদেশের বিরুদ্ধে বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বিগত ২১/০৫/২০১৯ তারিখ উক্ত আদেশটি বাতিল করা হয় (স্মারক নং-ওএম-০১-ম/২০১৫/২২৬১, তারিখ-২২/০৫/২০১৯) কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি, এই আদেশটি জেলা শিক্ষা অফিসারগণ কোনো এক অদৃশ্য কারণে তামিল না করে পূর্বের অবৈধ আদেশটি বহাল রেখেছেন। প্রকারন্তরে বৈধ কলেজগুলোর সনদ গ্রহণে অনৈতিক গড়িমশি করছেন। বিএড স্কেল প্রত্যাশী শিক্ষকদের নানা প্রকার হয়রানি করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি মাউশির ডিজি মহোদয়ের নজরে এনেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছিনা। বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে সুরাহা না হলে সারাদেশে বিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হবে এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হবে। তাই অনতিবিলম্বে মাউশিকর্তৃক বাতিলকৃত আদেশটি তামিল করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সকল বেসরকারি কলেজ থেকে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের বিএড সনদ গ্রহণ করে উচ্চতর স্কেল প্রদানের আহবান জানান।