মঙ্গলময় রমজানের গুরুত্ব II আশরাফুল ইসলাম সোহাগ

আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে এমন এক মাস আমাদের দান করেছেন যা রহমত ও বরকতে ভরপুর। এর প্রত্যেক রাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ঘোষক ঘোষণা করতে থাকেন___ “হে কল্যাণকামী, অগ্রসর হও; হে মন্দ-অনুসন্ধানী, বিরত হও।” এমাসে আল্লাহ শয়তানকে শৃঙ্খলাবন্ধ করে দিয়েছেন। জান্নাতের দরজা খুলে দিয়েছেন। জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন।নবী সাঃ বলেছেন-যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও পুণ্যের আশায় রমজানের রোজা রাখে তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। আরও ইরশাদ করেন-যে ব্যক্তি ঈমানের সহিত ও পুণ্যের আশায় রমজানের রাত্রিতে(তারাবির) নামাজ আদায় করে তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। একেকটি ছোট ছোট আমলের উপর মাগফিরাতের ওয়াদা করেছেন। দোয়া কবুলের জন্য অসংখ্য সময় রেখেছেন। আল্লাহ রোজাদারদের দোয়া কবুল করেন। ইফতারের সময় দোয়া কবুল করেন, সেহরির সময় দোয়া কবুল করেন। রমজানের একেকটি সময়কে বাহানা হিসেবে বানিয়েছেন তার রহমত,বরকত দান করার জন্য। আল্লাহ আমাদের এ মঙ্গলময় রমজান মাস দান করেছেন-এর হক আদায় করার লক্ষ্যে। অতএব আমাদের সকলেই সর্বদা এ মাসের হক আদায় করার জন্য ফিকির করতে হবে।

লেখক:শিক্ষার্থী,বৃন্দাবন সরকারি কলেজ হবিগঞ্জ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: