পারভেজ হোসাইন | রামগঞ্জ (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি পারভেজ হোসাইন | রামগঞ্জ (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি


ব্যবসায়ীদের ফেলা বর্জ্যে অস্তিত্ব বিলীনের অপেক্ষায় খালগুলো! প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা






রামগঞ্জে দখল-দূষণে অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে সেই ঐতিহ্যবাহী খাল ও নদের। কতিপয় অসাধু ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক আইন অমান্য করে,পরিবেশ অধিদফতরের নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে সরকারি খালের জায়গার উপর অবৈধ খাল দখল করে দোকান নির্মাণ ও গড়ে তুলেছেন বহুতল ভবন ও বাড়িঘর।
অপরদিকে, বেশকিছু কারখানা ও মিষ্টির দোকান থেকে মালিক কারখানার তরল বিষাক্ত বর্জ্য ও মিষ্টির দোনাকের আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো খালে কিংবা নদে ফেলে দূষণ করছে পরিবেশ।
রামগঞ্জ উপজেলা পরিবেশ অধিদফতর,পৌর মেয়র ও পুলিশ প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা না থাকার কারণে এমনটা হচ্ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, দখল-দূষণে অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে রামগঞ্জ উপজেলার সবকটি সরকারি খাল ও নদ।
অপরদিকে রামগঞ্জ পৌর শহরের সোনাপুর বাজারের খাল দখল ও ব্রিজের নিচে ময়লা আবর্জনা ফেলে খাল আবদ্ধ করে রেখেছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।
এ ছাড়া আরও কয়েকটি খাল রয়েছে যার কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। এক সময় এসব খাল দিয়ে নৌকা চলাচল করত। এখন একদিকে দখল আরেকদিকে দূষণ। এর মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় খালের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে দোকান,বাড়িঘর।
এদিকে খালের পাশে থাকা নির্মিত অধিকাংশ ঘাটলা দখল করে রেখেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই ঘাটলাগুলো দিয়ে আগে মানুষ গোসল এবং প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করতেন। দুর্ঘটনার সময় ফায়ারসার্ভিস ও এলাকাবাসির প্রচেষ্টার মাধ্যমে দুর্ঘটনা নির্মূল করা হতো।কিন্ত এখন খাল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসী,ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগী মানুষের।
এ ব্যাপারে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সোনাপুর বাজারের কয়েকটা প্রভাবশালী ব্যবসায়ীমহলের কারনেই খালের এর মরণদশা। যেমন বি’সাহা মিষ্টির দোকান, মুসলিম হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট ও ইসলামিয়া রেস্টুরেন্ট এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোর যাবতীয় বর্জ্য এই খালে ফেলা হয়। তাই পরিবেশ দূষণ ও মানুষের দুর্ভোগ দিনদিন বেড়েই চলছে। তবে আমরা আশাবাদী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।