শিপার মাহমুদ (জুম্মান) শিপার মাহমুদ (জুম্মান)
স্টাফ রিপোর্টার, উত্তরা নিউজ


বেসরকারি টিটিসি’র বার্ষিক সম্মেলনে এমপিওভুক্তিসহ ৫ দফা দাবী






স্টাফ রিপোর্টার: মানসম্পন্ন বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের এমপিওভুক্তিসহ পাঁচ দফা দাবীতে ৫ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ১০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির ঢাকা বিভাগীয় শিক্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ফাতেমা খাতুনের সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ড. মোঃ নজরুল ইসলাম খান। এসময় তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দরা।

জাতীয় প্রেসক্লাবে বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির ঢাকা বিভাগীয় শিক্ষক সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ড. মোঃ নজরুল ইসলাম খান।

সম্মেলনটিতে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে ড. মোঃ নজরুল ইসলাম খান বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ২৭ বছর সরকারের আর্থিক অনুদান পায়নি। তাই অনতিবিলম্বে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত করে পাঁচ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২০ জুলাই ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মহাসমাবেশ সফল করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন।

বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের এমপিওভুক্তিসহ পাঁচ দফা দাবীতে উক্ত সম্মেলনটিতে আরও বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আল মুজাহিদ ফকির, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বাবুল হোসেন, অর্থ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহিদা খাতুন, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ এম.এ মোনায়েম, আব্দুস সামাদ, অধ্যক্ষ আবুল হোসেন, অধ্যক্ষ হামিদা আক্তার, অধ্যক্ষ ফাতেমা বেগম, অধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির, অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগম প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা মানসম্পন্ন বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের এমপিওভুক্তিসহ নিম্নবর্ণিত পাঁচ দফা দাবী উত্থাপন করেন-
১. বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ সমূহে কর্মরত সকল শিক্ষক কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করতে হবে।
২. বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে কর্মরত সকল শিক্ষককে দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে।
৩. প্রতিটি বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে একটি করে ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা সহ তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. প্রতিটি বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের নামে এক খন্ড নিষ্কণ্টক জমি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দিতে হবে।
৫. জরুরী ভিত্তিতে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ সমূহে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বেও নিজেদের অধিকার আদায়ে সরকারের প্রতি দাবী জানিয়েছেন বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দরা।