বিষাক্ত খিরুর জল

আবুল বাশার শেখ

» সাহিত্যনুষ্ঠান কলমবাণী | | সর্বশেষ আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২০ - ১২:২৮:৩৮ অপরাহ্ন

বুকের উপর বিশাল একটা পাথর চাপানো
ঠিক যেন উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু
তৃষ্ণায় বুকের ছাতি বুঝি ফেটে যাচ্ছে
এক গ্লাস স্বচ্ছ খিরুর জল দিবে কেউ?
তৃষ্ণা নিবারণের পর-
রোদে পুড়া মুখের ছাপ মুছতে চাই এই জল।
অনেক দিনের অপেক্ষা এই জল পাবো বলে
থানার কাছে ব্রীজটার নিচে দেড় যুগ কেটেছে
বিশ্বাস করুন শুধু এক গ্লাস খিরুর স্বচ্ছ জল
দিয়ে রোদে পুড়া মুখের দাগ মুছবো বলে
কিন্তু সাধ পূর্ণ হলো না।
চোখের সামনে জলাশয়গুলো যান্ত্রিক বর্জ্যে
যতটুকু জল খিরু নদীর বুকে বিলিয়ে দেয়
তার সুপিয়তা পরখ করার প্রয়োজন নেই
অবৈধ সুঘ্রাণ নাড়ি ভূরি উতাল পাতাল করে
এভাবেই চলছে তো চলছেই।
বর্ষার স্বচ্ছজল ম্লান হয়ে নবরূপে মিশে যায়
ত্রিমোহনীর ঘুর্ণায়মান স্রোতেও তার রূপ অনড়
জলের গভীরতার ভাজে ভাজে মিশে যায়
বিষাক্ত খিরুর জল প্রতিনিয়ত কলঙ্কিত করে।
তৃষ্ণা মিটেনা মেটাতে পারেনা বন খিরু
বুকের উপর বহন করা বিষাক্ত জলের ধারা
সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলে
বাসনার স্বচ্ছজল পাওয়া হয়না
হাহুতাশ করে কি জড় কি জীব।