বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ - ০৯:০৩:৪৬ অপরাহ্ন

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ ২৫ দশমিক ৮ স্কোর করে ১১৭টি দেশের মধ্যে ৮৮তম হয়েছে। এর আগে ২০০০ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিলো ৩৬, যা ক্ষুধা সূচকে ‘ভীতিকর’ অবস্থাকে নির্দেশ করে। ২০১০ সালে স্কোর কিছুটা কমে হয় ৩০ দশমিক ৩। অর্থাৎ ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করে যাচ্ছে।
আজ কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্ব ক্ষুধা সূচক ২০১৯ এর প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ সার্বিকভাবে উন্নতির দিকেই রয়েছে। বাংলাদেশ শিশু মৃত্যু  হ্রাসে ভালো করেছে এবং অন্যান্য সূচকেও ভালো করবে। পুষ্টিহীনতা, খর্বাকৃতি শিশু এবং শিশু মৃত্যু হার বাংলাদেশে হ্রাস পেয়েছে। সরকার সামাজিক নিরাপত্তার নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে কোন্টির জনগণ কতটা খাদ্যাভাব অর্থাৎ ক্ষুধায় পীড়িত, তা তুলে ধরা হয় বিশ্ব ক্ষুধা সূচক বা গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে। এই সূচকে শূন্য থেকে ১০০ পয়েন্টের মাপকাঠিতে যাচাই করা হয় কোন্ দেশটি কতটা ক্ষুধাপীড়িত। এই মাপকাঠিতে শূন্য হচ্ছে সবচেয়ে ভালো স্কোর, যার অর্থ সেই দেশটিতে ক্ষুধা নেই, আর ১০০ হচ্ছে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা। ১০ এর কম স্কোর পাওয়ার অর্থ সেই দেশে ক্ষুধার সমস্যা কম। ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ স্কোরের অর্থ তীব্র ক্ষুধা, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ অর্থ ভীতিকর ক্ষুধা আর ৫০ বা তার বেশি স্কোর বলতে বোঝায় চরমভাবে ভীতিকর ক্ষুধায় পীড়িত দেশকে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় পুষ্টি সেবার লাইন ডিরেক্টর ডা. এসএম মোস্তফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুষ্টি কাউন্সিলের মহাপরিচালক ডা. শাহ নেওয়াজ, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর একেএম মুসা এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর উম্মে হাবিবা।