বিজিএমইএ স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবিদেরকে পিপিই প্রদান করবে


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২০ - ১০:২৩:১৬ অপরাহ্ন

করোনাভাইরাস এর প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় বিজিএমইএ এগিয়ে এসেছে। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএ ডাক্তার, নার্স ও হাসপাতাল কর্মীসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদেরকে পিপিই সরবরাহ করবে। উল্লেখ্য যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যগন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও বিজিএমইএ’কে পিপিই সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।

এ মুহুর্তে বিতরণের উদ্দেশ্যে বিজিএমইএ প্রাথমিক পর্যায়ে ২০,০০০ পিপিই পোশাক তৈরির উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এগুলো প্রথম স্তরের পিপিই (লেভেল-১) এর পরিপূরক হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছে। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তার ও কর্মীদের প্রয়োজন লেভেল ৩/৪ পিপিই। পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তাগণ স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে যে পিপিই তৈরি করছেন, তা সনদপ্রাপ্ত নয়।

এগুলো শুধুমাত্র শতভাগ পানিপ্রতিরোধক এবং এর নকশা স্বাস্থ্য বিষয়ক পেশাজীবিগণ যে ধরনের পিপিই ব্যবহার করেন, তার কাছাকাছি। এই পিপিই পোশাক সেই সব ডাক্তার ও স্বাস্থকর্মীদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে, যারা আতঙ্কিত হয়ে কর্মস্থলে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এই ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আশা করছেন, শুধুমাত্র যে করোনা উপসর্গধারী রোগীদের চিকিৎসা চলাকালে পিপিই ব্যবহার হবে তা নয়, বরং তারা পেশাগত সকল কর্মকান্ডে সুরক্ষা পাবেন।

যেহেতু বর্তমান প্রেক্ষাপটে সম্মুখ সারির স্বাস্থ্যকর্মীদের কোন ধরনের সুরক্ষা নেই, তাই বিজিএমইএ নিজেদের সম্পদ দিয়ে তাদেরকে সহযোগিতা করার উদ্যোগ নিয়েছে। পিপিই এর ফেব্রিক্স ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে ইতিমধ্যে বিজিএমইএ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের স্বাস্থ্যসেবা এর মহাপরিচালক (ডিজিএইচএস) এর কাছ থেকে অনুমোদন নিয়েছে। ডিজিএইচএস বিজিএমইএ’র প্রস্তাবিত পিপিই-কে লেভেল-১ পরিপূরক হিসেবে অনুমোদন দিয়েছেন।

বর্তমানে বিজিএমইএ এর অনেক সদস্য প্রতিষ্ঠান ফেব্রিক্স দানে এগিয়ে এসেছে। এছাড়াও আরও অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের স্ব স্ব কারখানায় বিনামূল্যে পিপিই তৈরি করার বিষয়ে বিজিএমইএ’কে প্রস্তাবনাও দিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিজিএমইএ পরিকল্পনা নিয়েছে এসব ফেবিক্স ক্রয়ের জন্য একটি তহবিল গঠন করার বিষয়ে। স্থানীয় অনেক বস্ত্র কারখানা, যারা কিনা বিজিএমইএ এর সদস্য, তারাও কম দামে ফেব্রিক্স বিক্রি করে বিজিএমইএ এর পিপিই তৈরির উদ্যোগের সাথে একাত্মতা পোষন করছে। বিজিএমইএ এই পিপিইগুলো ডিজিএইচএস সহ অন্যান্য সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরবরাহ করবে। একই উদ্দেশ্যে বিজিএমইএ অন্যান্য এনজিও-দের সাথেও কাজ করছে, যেহেতু উভয় পক্ষের লক্ষ্য অভিন্ন।

সাধারনত এদেশের পোশাক উদ্যোক্তাগণ পিপিই প্রস্তুত করেন না। পিপিই প্রস্তুত করতে যে ফেব্রিক্স ব্যবহার করা হয়, তার মেডিক্যাল গ্রেড থাকে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মান বজায় রেখে তা প্রস্তুত করতে হয় এবং এই ফেব্রিক্স মূলত চীন থেকে আমদানি করতে হয়। আবার, পিপিই পোশাক তৈরির জন্য কারখানাগুলোকে বিশেষ ধরনের মেশিনারিজ ব্যবহার করতে হবে। কারখানায় জীবানুমুক্ত পরিবেশে উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এসবের জন্য প্রশিক্ষণও দরকার। সব মিলিয়ে বাংলাদেশী কারখানায় পিপিই তৈরি করার জন্য কমপক্ষে ৬ মাস অথবা এর অধিক সময় লাগবে।

উদ্যোক্তারা বিকল্প উৎস হিসেবে চীন থেকে পিপিই এর ফেব্রিক্স আনছেন। এতে করে লীড টাইম ১৫-২০ দিন লাগবে, যেহেতু বিমানপথে এখন দীর্ঘসূত্রীটা অনেক বেশি। যে মুহুর্তে এই আমদানিকৃত ফেব্রিক্স উদ্যোক্তাদের হাতে আসবে, তখনই তারা পিপিই তৈরিতে এই ফেব্রিক্স ব্যবহার করা শুরু করবেন।

আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পিপিই রপ্তানি করা এবং আমরা চাই, অতি দ্রুততার সাথে এই কাজটি করতে। এ ব্যাপারে আমরা ইতিমধ্যে আইএলও, ডব্লিউএইচও, ডব্লিউএফপি এবং ইউনিসেফ সহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে আলোচনা করেছি। আমাদের সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে পিপিই তৈরি করতে পারি, সে ব্যাপারে তাদের সহযোগিতা চেয়েছি সংস্থাগুলোও সরবরাহ লাইনে সহযোগিতা প্রদানসহ কারিগরী জ্ঞান বিনিময়ে আমাদেরকে সাহায্য করবে বলে আশ্বস্ত করেছে। এই প্রচেষ্টা নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাহায্য নিয়ে আমাদের এই শিল্পের ৬ মাস থেকে ১ বছর সময় লাগবে রপ্তানি উপযুক্ত পিপিই বানানোর যাবতীয় কারিগরী জ্ঞান অর্জন করতে এবং প্রয়োজনীয় মেশিন ও আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদী হাতে পেতে।
বিজিএমইএ স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবিদেরকে পিপিই প্রদান করবে
করোনাভাইরাস এর প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় বিজিএমইএ এগিয়ে এসেছে। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএ ডাক্তার, নার্স ও হাসপাতাল কর্মীসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদেরকে পিপিই সরবরাহ করবে। উল্লেখ্য যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যগন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও বিজিএমইএ’কে পিপিই সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে।
এ মুহুর্তে বিতরণের উদ্দেশ্যে বিজিএমইএ প্রাথমিক পর্যায়ে ২০,০০০ পিপিই পোশাক তৈরির উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এগুলো প্রথম স্তরের পিপিই (লেভেল-১) এর পরিপূরক হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছে। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তার ও কর্মীদের প্রয়োজন লেভেল ৩/৪ পিপিই। পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তাগণ স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে যে পিপিই তৈরি করছেন, তা সনদপ্রাপ্ত নয়। এগুলো শুধুমাত্র শতভাগ পানিপ্রতিরোধক এবং এর নকশা স্বাস্থ্য বিষয়ক পেশাজীবিগণ যে ধরনের পিপিই ব্যবহার করেন, তার কাছাকাছি। এই পিপিই পোশাক সেই সব ডাক্তার ও স্বাস্থকর্মীদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে, যারা আতঙ্কিত হয়ে কর্মস্থলে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এই ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আশা করছেন, শুধুমাত্র যে করোনা উপসর্গধারী রোগীদের চিকিৎসা চলাকালে পিপিই ব্যবহার হবে তা নয়, বরং তারা পেশাগত সকল কর্মকান্ডে সুরক্ষা পাবেন।
যেহেতু বর্তমান প্রেক্ষাপটে সম্মুখ সারির স্বাস্থ্যকর্মীদের কোন ধরনের সুরক্ষা নেই, তাই বিজিএমইএ নিজেদের সম্পদ দিয়ে তাদেরকে সহযোগিতা করার উদ্যোগ নিয়েছে। পিপিই এর ফেব্রিক্স ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে ইতিমধ্যে বিজিএমইএ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের স্বাস্থ্যসেবা এর মহাপরিচালক (ডিজিএইচএস) এর কাছ থেকে অনুমোদন নিয়েছে। ডিজিএইচএস বিজিএমইএ’র প্রস্তাবিত পিপিই-কে লেভেল-১ পরিপূরক হিসেবে অনুমোদন দিয়েছেন।
বর্তমানে বিজিএমইএ এর অনেক সদস্য প্রতিষ্ঠান ফেব্রিক্স দানে এগিয়ে এসেছে। এছাড়াও আরও অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের স্ব স্ব কারখানায় বিনামূল্যে পিপিই তৈরি করার বিষয়ে বিজিএমইএ’কে প্রস্তাবনাও দিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিজিএমইএ পরিকল্পনা নিয়েছে এসব ফেবিক্স ক্রয়ের জন্য একটি তহবিল গঠন করার বিষয়ে। স্থানীয় অনেক বস্ত্র কারখানা, যারা কিনা বিজিএমইএ এর সদস্য, তারাও কম দামে ফেব্রিক্স বিক্রি করে বিজিএমইএ এর পিপিই তৈরির উদ্যোগের সাথে একাত্মতা পোষন করছে। বিজিএমইএ এই পিপিইগুলো ডিজিএইচএস সহ অন্যান্য সরকারি ও আধা সরকারি প্রুিতষ্ঠানগুলোকে সরবরাহ করবে। একই উদ্দেশ্যে বিজিএমইএ অন্যান্য এনজিও-দের সাথেও কাজ করছে, যেহেতু উভয় পক্ষের লক্ষ্য অভিন্ন।
সাধারনত এদেশের পোশাক উদ্যোক্তাগণ পিপিই প্রস্তুত করেন না। পিপিই প্রস্তুত করতে যে ফেব্রিক্স ব্যবহার করা হয়, তার মেডিক্যাল গ্রেড থাকে এবং বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মান বজায় রেখে তা প্রস্তুত করতে হয় এবং এই ফেব্রিক্স মূলত চীন থেকে আমদানি করতে হয়। আবার, পিপিই পোশাক তৈরির জন্য কারখানাগুলোকে বিশেষ ধরনের মেশিনারিজ ব্যবহার করতে হবে। কারখানায় জীবানুমুক্ত পরিবেশে উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এসবের জন্য প্রশিক্ষণও দরকার। সব মিলিয়ে বাংলাদেশী কারখানায় পিপিই তৈরি করার জন্য কমপক্ষে ৬ মাস অথবা এর অধিক সময় লাগবে।
উদ্যোক্তারা বিকল্প উৎস হিসেবে চীন থেকে পিপিই এর ফেব্রিক্স আনছেন। এতে করে লীড টাইম ১৫-২০ দিন লাগবে, যেহেতু বিমানপথে এখন দীর্ঘসূত্রীটা অনেক বেশি। যে মুহুর্তে এই আমদানিকৃত ফেব্রিক্স উদ্যোক্তাদের হাতে আসবে, তখনই তারা পিপিই তৈরিতে এই ফেব্রিক্স ব্যবহার করা শুরু করবেন।
আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো, বিশে^র বিভিন্ন দেশে পিপিই রপ্তানি করা এবং আমরা চাই, অতি দ্রুততার সাথে এই কাজটি করতে। এ ব্যাপারে আমরা ইতিমধ্যে আইএলও, ডব্লিউএইচও, ডব্লিউএফপি এবং ইউনিসেফ সহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে আলোচনা করেছি। আমাদের সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে পিপিই তৈরি করতে পারি, সে ব্যাপারে তাদের সহযোগিতা চেয়েছ্।ি সংস্থাগুলোও সরবরাহ লাইনে সহযোগিতা প্রদানসহ কারিগরী জ্ঞান বিনিময়ে আমাদেরকে সাহায্য করবে বলে আশ^স্ত করেছে। এই প্রচেষ্টা নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাহায্য নিয়ে আমাদের এই শিল্পের ৬ মাস থেকে ১ বছর সময় লাগবে রপ্তানি উপযুক্ত পিপিই বানানোর যাবতীয় কারিগরী জ্ঞান অর্জন করতে এবং প্রয়োজনীয় মেশিন ও আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদী হাতে পেতে।