বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষে লেখিকা ডা.নাসিমার ”শতবর্ষের পদধ্বনি”


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ - ০৮:৩৮:০১ অপরাহ্ন

জহরুল ইসলাম (জীবন): ঠাকুরগাঁওয়ের অমর একুশে বইমেলায় ডা. নাসিমা আক্তার জাহানের বাজারে এসেছে ”শতবর্ষের পদধ্বনি” এই বইটি লেখিকার চতুর্থতম বই। বইটি তিনি বাঙালি জাতির পিতা, সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি,বাঙালির রাঁখাল রাঁজা,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমানকে উৎসর্গ করেছেন। পুরো বইটিতে কবি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মোট ৫৫টি ছন্দ কবিতা লিখেছেন।

এক একটি কবিতায় তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবনে ঘটে যাওয়া সব ধরনের ঘটনাকে তুলে ধরার চেস্টা করেছেন। সুন্দর রুচিশীল প্রচ্ছদ দিয়ে বইটিকে সাজিয়েছেন এবং প্রতিটি ছন্দ কবিতার মাঝে মিল রেখে চিত্র দিয়েছেন। তিনি শুধুই কবি নন তিনি একাধিক গুনে গুনান্নিত একজন মহশৈ নারী। ব্যক্তি জিবনে তিনি একজন চিকিৎসক। বর্তমানে তিনি সহকারি পরিচালক (সিসি) ও ডিস্ট্রিক্ট কনসালটেন্ট (এফপিসিএস- কিউআইটি) হিসেবে ঠাকুরগাঁও জেলায় কর্মরত আছেন।

ডা. নাসিমা আক্তার জাহান ১৯৬৩ সালের ১২ এপ্রিল  লালমনিরহাট জেলার রামকৃষ্ণ মিশন রোডে পৈতৃক বাসায় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনার পিতার নাম- নায়েব আলী মিয়া এবং মাতার নাম- মাজেদা বেগম। তিনি লালমনিরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও লালমনিরহাট সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৯১ সালের জন্ম মাস এপ্রিলেই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধিনে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি সুনামের সহিত নিষ্ঠার সাথে নিজ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি দু-সন্তানের জননি।

দেশকে ভালবাসেন দেশের মানুষের কল্যাণে সদা সর্বদা কাজ করতে পছন্দ করেন। দেশের প্রতি ভালোবাসা দেশের মানুষদের নিয়ে কাজ করা এ সবের উৎসাহ জুগিয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ইমার্চের ভাষন। তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবনি পড়েন এবং বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকে বুকে লালন করেন। এর আগেও লেখিকার তিনটি বই বাজারে এসেছে যার প্রতিটিতেই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা আছে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে লেখা আছে। তিনার প্রকাশিত বই গুলি হলো-(০১),সবার পৃথিবী যেন একটাই দেশ।(০২),তোমার মায়ায়, তোমার ছায়ায়। (০৩), খুঁজি ফিরি একাত্তরের যত স্মৃতি। আর এবারের বইটি পুরোটিই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা ”শতবর্ষের পদধ্বনি”। বাংলাকে ভালোবাসেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে বুকে ধারন করেন বলেই তিনি এত বড় একজন ডাক্তার হয়েও তিনার চিকিৎসা পত্র তিনি বাংলায় লেখেন।

লেখিকার সাথে কথা হলে তিনি জানান, যেহেতু আমি একজন চিকিৎসক আমার কাজ সেবা দেওয়া আর লেখা লেখি আমার ভাললাগা। ভালোবাসি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে, ভালোবাসি দেশও দেশের মানুষকে। তিনি আরও বলেন,এ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে। এরই বিশাল কর্মযজ্ঞে অংশ নেয়ার দৃঢ প্রত্যয় নিয়ে এই গ্রন্থের সকল কবিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে নিয়ে লেখা।বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ভালোবাসা জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত পঙক্তিমালা ”শতবর্ষের পদধ্বনি” পাঠকদের ভালো লাগলেই এই গ্রন্থ প্রকাশ সার্থক হবে।