‘বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষই প্রমাণ করবে বাংলাদেশের উন্নয়ন কোন দিকে যাচ্ছে’


» মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান | উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার | সর্বশেষ আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ - ০২:০০:০৭ অপরাহ্ন

সভাপতির বক্তব্যে উত্তরা এসোসিয়েশনের সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ, এমপি বলেন, আমাদের সরকারের আমলেই এদেশের উন্নয়নের যে কাঠামো তা আমরা রিপোর্টের মাধ্যমে পরিস্কার করেছি। এখানে মাননীয় সংসদ সদস্য উপস্থিত রয়েছেন, আমরা আশা করি তাঁর যদি দৃষ্টি আমাদের দিকে থাকে তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা যে উত্তরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি সেটিরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। উত্তরা

ওয়েলফেয়ার সোসাইটির বাজেটের ব্যাপারে ড. মোঃ আব্দুস শহীদ বলেন, সময় এখন আমাদের। সময়ে বাংলাদেশ, সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ। এই সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় উত্তরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটিও এগিয়ে যাবে। এসময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আসলে জাতির পিতার দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের ফসল আজকের এই বাংলাদেশ। আর আজকের এই ৪৮ বৎসরের বাংলাদেশ আমরা আগামী দুই বৎসর পরে দেখব ভিন্ন একটি রূপে। সেটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে এদেশ প্রতিষ্ঠা পাবে এবং এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী ১৭ই মার্চ থেকে আমরা মুজিব বর্ষ উদযাপন করতে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন, তাঁর বয়স হতো শতবর্ষ। সেই হিসেবে এই শতবর্ষ জাতীয়ভাবে বাংলাদেশে পালন করা হবে। বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষই প্রমাণ করবে বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন কোন দিকে যাচ্ছে। গোটা বিশ্ববাসী বাংলাদেশকে যেভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে, দিয়েছে এটা নতুন করে কিছু বলার নেই।

এ সময় তিনি উত্তরার বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে রাজউকের কড়া সমালোচনা করে বলেন, আমি একজন আইন সভার সদস্য হিসেবে রাজউকের মত একটি প্রতিষ্ঠানের আইন-কানুন আমার দৃষ্টিতে বলব আইন প্রণয়ন অত্যন্ত দুর্বল এবং এখানে রাজউক আমাদের জন্য এই যে, উত্তরা মডেল টাউনের যে একটা মাস্টারপ্ল্যান করে যে ম্যাপ করে উত্তরা মডেল টাউন তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। আইনীভাবে সেটা কিন্তু বার বার কাঁচি দিয়ে কেটে টুকরা টুকরা করে এটিকে একটা স্কেলিটর বা ফেরাউনের মমি করা লাশের মতন এইটা আমার মনে হয় বিদ্যমান আছে।

তিনি আরও বলেন, আমি জোর গলায় বলতে পারব, যেহেতু আমি রাজনীতি করি। কিন্তু, এই আইন পরিবর্তন করে রাজউক যে প্লট সৃজন করে! একজন মন্ত্রী বললেন আমরা এটাকে সবুজায়ন করব। পরবর্তীতে আবার মন্ত্রী আসার আগে বা মন্ত্রী যাওয়া পরে আবার এটা যদি বরাদ্দ হয়ে যায়, হোক! যে বরাদ্দ পেয়েছে তার তো ত্রুটি না। সে তো পেতেই পারে। কিন্তু, যিনি দিলেন, তিনি কি ওই আইনকে শ্রদ্ধা করে এটা করে দিলেন? নাকি যে ম্যাপটা করা হয়েছিল সেটা দেখে দিলেন?

এসময় রাজউক কর্তৃক বরাদ্দকৃত একটি প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে বলেন, এখানে একটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে জায়গা দেয়া হয়েছে। অথচ সেই ম্যাপটি রাজউক কিভাবে পরিবর্তন করে কাউকে প্রাতিষ্ঠানিক প্লট হিসেবে বরাদ্দ দেয়? এটা আমরা বুঝিনা। তিনি আরও বলেন, তাই রাজউকের এ ধরনের আইন পরিবর্তন করার বিষয়ে প্রেসিডিয়ামের মেম্বার হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিষয়টি তুলে ধরার জন্য উপস্থিত অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে তিনি বিশেষ অনুরোধ জানান। সর্বপরি, বার্ষিক সভায় আগত উত্তরার সকল সেক্টরের নেতৃত্বস্থানীয়দের সকল সহযোগিতা কামনা করে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।

উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদ, এমপি
সভাপতি, উত্তরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি