বগুড়ার শাজাহানপুরে সবজির আবাদে পঁচন রোগ!


» উত্তরা নিউজ I সারাবাংলা রিপোর্ট | | সর্বশেষ আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০১৯ - ১০:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন

শাজাহানপুর(বগুড়া) সংবাদদাতা: বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলায় ৪ শত ৮০ হেক্টর জমিতে আগাম শবজী চাষ হচ্ছে । এই এলাকার উতপাদিত লালশাক , পালংশাক , মুলা , শিম , টমেটো , বাধা কপি , ফুলকপি , বেগুন , বরবটি , করল্যা, পটল সহ বিভিন্ন ধরনের শবজী ইতিমধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে । ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা খুশি । তবে, সম্প্রতি পঁচন রোগ দেখা দেয়ায় তাদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে । কত একর জমিতে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই উপজেলা কৃষি অফিসে ।

বেশ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সবজির পচন রোগ দেখা দিতে পারে বলে অফিসটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন । সরেজমিনে উপজেলার বৃকুষ্টিয়া গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম , চুপিনগর গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন , ফুলকোট গ্রামের কৃষক সাজু মন্ডল , খালেক প্রাং তার ছেলে টুলু , জুলু , সহ খলিশাকান্দী , পরানবাড়িয়া, ডেমাজানী, রামপুর, রাধানগর , গোবিন্দপুর , শৈলধুকড়ী সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা জানান , বেশিরভাগ বাগানের পটল , বড়বটি , করলা, ঝিঞাসহ জাংলায় ধরে এসব সবজি অল্প করে বাজারে তোলা শুরু হয়েছে ।

গত দু -সপ্তাহের মধ্যে বেশির ভাগ বাগানে গাছের আগা পচে যাচ্ছে , সাথে পাতা এবং ফলন , বৃ কুষ্টিয়া , চুপিনগর , ডেমাজানী , আড়িয়া বাজার , এগুলো এলাকায় করতোয়া নদীর ধারের আবাদ গুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । কৃষি অফিস এবং ওষুধের দোকানের লোকেদের দেয়া পরামর্শ অনুযায়ী ছএাক নাশক এবং কীটনাশক ছিটিয়েও কোন সুফল পাচ্ছেন না । জমিতে বৃষ্টির পানি জমতে না দেয়ার জন্য নালাও করে দিয়েছেন ।

সরেজমিনে আবাদি জমি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়ার জন্য কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ রেখেছেন এই কৃষকরা । শাজাহানপুর উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার উম্মে হাবীবা এবং কৃষি অফিসের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার সাইদুল ইসলাম জানান , কৃষকরা অনিয়মিত ভাবে অতিমাত্রায় প্রায় ৭-৮ টি বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ একএিক করে ককটেল আকারে জমিতে ছিটাচ্ছেন । এতে গাছের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমে যাচ্ছে । বর্তমানে লাগাতার বৃষ্টির কারনে জমি ভেজা থাকছে । এবং রোগ বালাইয়ের বিস্তার বেড়েছে । ওষুধ দেয়ার পরেই বৃষ্টিতে তা ধুয়ে যাচ্ছে । তাই ওষুধেও কাজ হচ্ছে না । এমন বৈরী আবহাওয়া চলাকালীন সময়ে কৃষকদের ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করতে হবে । বৃষ্টি শেষ হওয়ার সাথেই ছএাকনাশক ছিটিয়ে দিতে হবে এবং নষ্ট হওয়া গাছ তুলে ফেলতে হবে । পরে সেই সব স্হানে নতুন করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা ।