মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান
উত্তরা নিউজ


‘প্রিয়া সাহা চক্রের’ সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধের দাবী






প্রিয়া সাহা নামের এক বাংলাদেশী নারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে গিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চরম মিথ্যাচার করেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে দেশের গণমাধ্যমগুলোতেও বিষয়টি নিয়ে চরম শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে। সকলের অভিযোগ প্রিয়া সাহা নামের ওই হিন্দু নারী দেশের বিরুদ্ধে স্পষ্ট মিথ্যাচার করেছে, যা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রিয়া সাহা নামের ওই নারী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের কাছে নালিশ করে বলেছে যে,

আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানে ৩ কোটি ৭০ লাখ (৩৭ মিলিয়ন) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান উধাও হয়ে গেছেন। এখনো সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ (১৮ মিলিয়ন) সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রয়েছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশ ছাড়তে চাই না। আমি আমার বাড়ি হারিয়েছি। তারা আমার ঘরবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। জমি কেড়ে নিয়েছে। এর কোনো বিচার এখনো পাইনি।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তখন তাঁর কাছে জানতে চান, কারা এসব করেছে। প্রিয়া সাহা বলেন, উগ্রপন্থী মুসলমানরা এটা করেছে। সব সময় রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় তারা এটা করে থাকে।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অন্যতম সাংগঠনিক স¤পাদক প্রিয়া সাহার এমন বক্তব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ন্যাশনাল মুভমেন্ট-এর চেয়ারম্যান মুহিব খান। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা রটনা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে মুহিব খান ন্যাশনাল মুভমেন্ট-এর ব্যানারে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে প্রিয়া সাহাদের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবী জানিয়ে লিখেন-

সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কাছে মিথ্যে নালিশ করে খাল কেটে কুমির আনার দেশবিরোধী চক্রান্ত কিছুতেই সফল হতে দেয়া হবে না। সরকার করুক বা না করুক, জাতি শীঘ্রই এর শক্ত প্রতিকার করবে।
ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর নাগরিকত্ব বাতিল করা হোক। এদের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক। অনতিবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার করা হোক।

উল্লেখ্য যে, প্রিয়া সাহা ওরফে প্রিয়া বালা’র এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ খোদ বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিজেও।