প্রাথমিক শিক্ষকরা সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণে অস্বীকার


» উত্তরা নিউজ | অনলাইন রিপোর্ট | সর্বশেষ আপডেট: ০৬ নভেম্বর ২০১৯ - ০৩:৩২:১৪ অপরাহ্ন

আন্দোলনরত প্রাথমিক শিক্ষকরা সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণে অস্বীকার করলে এ পরীক্ষা নিবেন মাধ্যমিকের শিক্ষকরা। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) অধিদপ্তর থেকে সব জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এক চিঠিতেে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 বেতন বৈষম্য নিরসনে প্রধান শিক্ষকদের ১০ম ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবিতে আন্দোলন করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে তারা বার্ষিক ও সমাপনী পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

গ্রেড পরিবর্তন ও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ২৩ অক্টোবর সমাবেশে করতে চেয়েছিলেন সরকারি প্রথমিক স্কুলের শিক্ষকরা । কিন্তু বাধা দিয়েছে পুলিশ। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষকরা প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশ তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমাবেশে যোগ দেওয়ায় কয়েক হাজার শিক্ষককে নোটিশও দেওয়া হয়।

এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের নেতাদের সাথে বৈঠক করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।  বৈঠক শেষে  শিক্ষক নেতারা সাংবাদিকদের  জানান প্রতিমন্ত্রী আমাদের কথা শুনেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎ করিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। এরই মধ্যে মঙ্গলবার মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) অধিদপ্তর থেকে সব জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এক চিঠিতেে এ নির্দেশনা দেওয়া  হলো।

অধিদপ্তর থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই যেসব কেন্দ্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কেন্দ্রসচিব বা পরিদর্শকের দায়িত্ব পেয়েছেন সেসব কেন্দ্রে হাইস্কুল বা মাদরাসার প্রধান শিক্ষক, সুপার বা সহকারী শিক্ষকদের দ্বারা পরীক্ষা পরিচালনার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হল। জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।