নীলফামারীর ডিমলায় ক্ষতিকর পোকামাকড়  চিহ্নিত করণে আলোকফাঁদ স্থাপন 


» এইচ এম মাহমুদ হাসান | | সর্বশেষ আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২০ - ১২:৪১:১২ অপরাহ্ন

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারী: কৃষি প্রধান দেশ হিসেবে কৃষিকে সুরক্ষা ও সমৃদ্ধি করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। নির্বিঘ্নে রোপা আমন ধান উৎপাদন করতে  কৃষকদেরকে সচেতনতা বৃদ্ধি সহ কৃষকদের মাঝে লিফলেট, বালাইনাশক প্রেসক্রিপশন বিতরন, আলোকফাঁদ স্থাপন এবং দলীয় আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন ।  এরই ধারাবাহিকতায়  ডিমলা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দরখাতা এলাকায় ক্ষতিকর পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে আমনধান রক্ষায় রোপাআমন ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে আলোকফাঁদ স্থাপন করেছে ।  এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ কনক চন্দ্র রায়, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নাজমুল হক, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী , শিক্ষক, মসজিদের ইমাম সহ এলাকার কৃষকবৃন্দ। 
 রোপাআমন ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে করনীয় সমন্ধে কৃষিবিদ কনক চন্দ্র রায় বলেন, এ বছর আমন ধানে বিপিএইচ  এর আক্রমণের সম্ভবনা রয়েছে। এজন্য কৃষকভাইদের নিয়মিত ধানখেত পরিদর্শন করতে হবে এবং পরিদর্শনকালে গাছের গোড়ায় ভাল করে খেয়াল করতে হবে বিপিএইচ আছে কিনা। যদি একটি ধানের গোছায় ৪টি মা বিপিএইচ সহ মোট সাতটির বেশি বিপিএইচ থাকে তবে ধানে বিলি কেঁটে দিতে হবে। ক্ষেতে পানি বেশি থাকলে তা
 বের করে দিতে হবে । অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক মাত্রায় ও সঠিক নিয়মে প্রয়োগ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে । 
উল্লেখ্য যে, এ বছরে ডিমলা উপজেলায় ১৯৯৬০ হেঃ জমিতে রোপাআমন ধান চাষ হয়েছে। সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক নির্বিঘ্নে রোপাআমন ধান উৎপাদন করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সদা তৎপর রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ সেকেন্দার আলী জানান,   কৃষক ভাইয়েরা যাতে নির্বিঘ্নে রোপাআমন ধান উৎপাদন করে ঘরে তুলতে পারে  সেজন্য উপসহকারী কৃষি অফিসারদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।