নাঈমের ২১ দফা ও বিজয়ের আত্মবিশ্বাস

ডিএনসিসি ৪৯ নং ওয়ার্ড

» উত্তরা নিউজ ডেস্ক জি.এম.টি | | সর্বশেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২০ - ০১:২০:০৪ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচিত হলে আধুনিক ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ড গড়ার অঙ্গীকার করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের গতবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর আনিছুর রহমান নাঈম। আসন্ন নির্বাচনে ২১ দফা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঘুড়ি প্রতীকে নির্বাচনী প্রচারণায় মানুষের দোরগোড়ায় গণসংযোগ করছেন তরুণ এ নেতা। গতবারের উপ-নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে নয় মাসে সড়কের সংস্কার, মশা নিধন কার্যক্রম ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে দেখা গেছে এই জনপ্রতিনিধিকে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে দক্ষিণখানের ১ ও ২ নং ওয়ার্ড নিয়ে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এই ওয়ার্ডের জনসংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। ভোটার সংখ্যা অন্তত ৫২ হাজার।

এবারের নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন না পেলেও তুমুল আত্মবিশ্বাস নিয়ে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে আনিছুর রহমান নাঈম বলেন, ‘গত নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক সেবা করেছি। এবার নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়নের বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলেও দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে নির্বাচন করার অনুমতি পেয়েছি। মাত্র ৯ মাস আগে উপ-নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে নজরকাড়া কর্মতৎপরতার ফলে দল ও এলাকার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা ফের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আমাকে উদ্বুদ্ধ  করেছেন।’

ছবি: আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণায় আনিসুর রহমান নাঈম।

সরেজমিনে ৪৯ নং ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, নানান ধরনের পোস্টারে শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। মাইকিং, পোস্টারসহ নির্বাচনী ডামাডোলে ভরপুর দক্ষিণখান এলাকার এ ওয়ার্ডটি। এলাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে গ্যাস, পানি ও স্যুয়ারেজ লাইনসহ নাগরিক সেবার অধিকাংশই নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি চলমান রয়েছে উন্নয়নমূলক কর্মকা-। এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে নাঈম বলেন, ‘মাত্র ৯ মাসে আমার ওয়ার্ডের সমস্যাগুলোর অন্তত ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি। জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট নিরসন, কাওলা, আশকোনায় রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও সংস্কার এবং পানির পাম্প স্থাপন, স্যুয়ারেজ লাইন ও জলাবদ্ধতা নিরসন, মসজিদ-মাদ্রাসা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছি। এছাড়া বেশ কয়েকটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যদি পাঁচ বছরের জন্য জনগণ আবারও আমাকে ভোট দিয়ে সুযোগ দেন, তাহলে আমার বিশ্বাস, অসম্পন্ন কাজগুলো সম্পন্ন করে এ ওয়ার্ডকে আমি ঢাকা সিটির মধ্যে সেরা ওয়ার্ড হিসেবে জনগণকে উপহার দিতে পারবো।

ওয়ার্ডের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ফের নির্বাচিত হলে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে জনগণের সেবক হওয়াই তার ইচ্ছা। একই সাথে নিজ ওয়ার্ড থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।