তুরাগে ত্রাণ দেয়ার কথা বলে কিশোরীকে বিবস্ত্র ও ধর্ষণ


» উত্তরা নিউজ ডেস্ক জি.এম.টি | | সর্বশেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২০ - ১২:১২:৪০ অপরাহ্ন

ঈদের খাদ্য সামগ্রী ও কাপড় দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে রাজধানী তুরাগের নয়ানীচালা এলাকায় মীম আক্তার (১২) নামে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শনিবার (১৬ই মে) বিকালে আনুমানিক ৫টার সময় ঘৃণ্য এই ঘটনা ঘটে।

তুরাগের নয়ানীচালা এলাকায় হাসান মঞ্জিল নামক একটি বাড়ির ৪র্থ তলার রান্নাঘরে ঢুকিয়ে পড়নের কাপড় খুলে ফেলে তাকে ধর্ষণ করে তাওহীদুল (২৭) নামের এক যুবক।

জানা যায়, ঈদের খাবার ও ঈদের জন্য জামা-কাপড় দিবে বলে মীমকে ডেকে নিয়ে যায় তাওহীদুল। বাড়ির সামনে গেলে ধর্ষক তাওহীদুল  মীমকে ৪ তলায় যেতে বললে মীম সরল মনে উপরে উঠে। তারপর ঘাড় ধরে রান্নাঘরে প্রবেশ করিয়ে মুখে গামছা বেঁধে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে তাওহীদুল নামের ওই লম্পট।

ধর্ষণের শিকার হওয়া মেয়েটির মুখে এমন বিবরণ শুনে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে তুরাগ থানার এস আই ওয়াজিউর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে প্রেরণ করে।

স্থানীয়রা জানায়, তুরাগের নয়ানীচালা এলাকার হাসার মঞ্জিলে কিশোরীর কণ্ঠে চিৎকার চেচামেচি শুনে ওই বাড়িটির ভাড়াটিয়াসহ এলাকার বাসিন্দারা স্থানীয় থানা-পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ধর্ষিতা  মীম আক্তার (১২) কে উদ্ধার করে।

এলাকাবাসী জানায়, মেয়েটি ৪ তলা থেকে বিবস্ত্র  অবস্থায় বাঁচাও বাঁচাও বলে নিচে নেমে আসলে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। ঘটনার এক পর্যায়ে ধর্ষক তাওহীদুলের মা (নুরজাহান বেগম) মেয়েটিকে দশ হাজার টাকা দিয়ে সামলানোর চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর তৎপরতায় সেটি ভেস্তে যায়। পরে পুলিশ এসে মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সূত্রে আরও জানা যায়, তাওহীদুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। বার বার এলাকার শালিসীদের তৎপরতায় এই ধর্ষককে রক্ষা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় তুরাগ থানা ধর্ষিতা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষক তাওহীদুল (২৭) পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।