তুরাগের দুঃখ লাঘবের আশ্বাস দিলেন নাজমা আকতার

অর্ধ-শতাধিক দুঃস্থ পরিবার পেলেন খাদ্য সহায়তা

» মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান | উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার | সর্বশেষ আপডেট: ২৯ অগাস্ট ২০২০ - ০৭:৩৪:২৯ অপরাহ্ন

তুরাগের দুঃখ বলতেই এক কথায় বেহাল রাস্তা ও জলাবদ্ধতা। ঢাকা-১৮ আসনের অন্তর্গত অন্যতম বিশাল এরিয়া নিয়ে গঠিত তুরাগ। অত্র এলাকায় লক্ষাধিক ভোটারের বসবাস হলেও নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে দীর্ঘদিন ধরেই বঞ্চিত এখানকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে, মানুষ ও যানচলাচলে ব্যবহৃত প্রধান প্রধান সড়কগুলো থেকে শুরু করে তুরাগের অলিগলির রাস্তাগুলোর অবস্থা একেবারেই শোচনীয়। অল্প বৃষ্টি হলেই কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায় এখানকার জনজীবন। রাজধানীর ভেতরেই বিশাল আয়তনের এলাকা নিয়ে তুরাগের অবস্থান হলেও জীবনমান উন্নয়ন যেন অধরাই রয়ে গেছে এখানকার জনগোষ্ঠীর।

আজ (২৯ আগস্ট, শনিবার) বিকেলে তুরাগের ফুলবাড়িয়া এলাকায় নিম্নবিত্ত হতদরিদ্র মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাবেক এম.পি নাজমা আকতার। এ সময় তিনি তুরাগের সড়কগুলোর বেহাল দশা দেখে নিজ অনুভূতি প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে স্বল্প পরিসরের এক বক্তব্য পর্বে নাজমা আকতার বলেন, ‘আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় সাহারা আপার মৃত্যুতে এখানে শীঘ্রই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে দল থেকে আমি একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাইতে এসেছি। গাড়ী থেকে নেমে পায়ে হেটে আপনাদের কাছে আসা পর্যন্ত রাস্তাগুলো দেখে বুঝলাম আপনার খুবই কষ্টে আছেন। দোয়া করুন যাতে দল (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) থেকে মনোনীত হয়ে আপনাদের কাছে বার বার আসতে পারি।’

তিনি আরও বলেন, করোনার মহাদুর্যোগে যুব মহিলা লীগের নেত্রীরা আপনাদের পাশে ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আর তাই আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।’ এর আগে নাজমা আকতার জাতীয় শোক দিবসে নিহত শহীদদের স্মরণে উপস্থিত সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন।

পরে, বস্তির অর্ধ-শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তুরাগ থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, যুব মহিলা লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক লুৎফা আক্তার, সহ-সভাপতি শিমু নূর, উত্তরা পশ্চিম থানা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আঞ্জুমান আরা শিল্পী, সহ-সভাপতি পপি চৌধুরী, ৫১নং ওয়ার্ড যুব মহিলা লীগের সভাপতি আবেদা আক্তারসহ স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতৃবৃন্দরা।