তরুণ ভোটারদের নিয়ে কি ভাবছেন প্রার্থীরা?

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন

» মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান | উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার | সর্বশেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২০ - ০৭:৫৯:৫৫ অপরাহ্ন

নিয়ামুল হাসান নিয়াজ ও গাজী তারেক


শতভাগ নাগরিক সেবা প্রদানের প্রত্যয় ও উন্নয়নের নানান প্রতিশ্রুতির মধ্যদিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনেরও ওয়ার্ডগুলোতে চলছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের জমজমাট প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীদের গণসংযোগের পাশাপাশি উত্তরার বিভিন্ন স্থানে স্থানে ঝুলছে প্রচারণা পোস্টার ও মাইকিং। প্রার্থীদের পাশাপাশি সমর্থক ও প্রতিনিধিরাও যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।

তবে এবারের নির্বাচনে বৃহত্তর উত্তরার কাউন্সিলরদের প্রার্থীদের ভাবনায় রয়েছে তরুণ ভোটারদের ভোট। তাই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে তরুণদের জন্য আলাদা হিসাব-নিকাশ কষতে হচ্ছে তাদের। কারণ, ভোটারদের বড় একটা সংখ্যা তরুণ বিধায় তরুণদের ভোট নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দেয়ারও ক্ষমতা রাখে।


নির্বাচনের আরও খবর পড়ুন:


এরই মধ্যে তরুণদের নিয়ে নানান পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেছেন উত্তরার কাউন্সিলররা। এ বিষয়ে কথা হয় ৫১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ শরীফুর রহমানের সাথে। তরুণদের ব্যাপারে উত্তরা নিউজকে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও যেহেতু একজন তরুণ তাই তরুণদের নিয়ে আমি সবসময়ই কাজ করি। গতবার নির্বাচিত হওয়ার পেছনে ওয়ার্ডের তরুণরাই আমার জন্য কাজ করেছে, এবারও তরুণদের পাশে পেয়েছি। ৫১নং ওয়ার্ডে তরুণদেরকে খেলাধুলার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা, কিশোর গ্যাং থেকে মুক্তসহ তাদেরকে সঠিক পথে আনার ব্যবস্থাগুলো করব।’ একই ভাবনার কথা জানিয়েছেন ওয়ার্ডটিতে সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী আবেদা আক্তার। তরুণদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তরুণরা যাতে সামাজিক অপরাধগুলোতে জড়িয়ে না পড়ে এজন্য জনপ্রতিনিধিদের কাজ করা উচিত। যেহেতু আমি নানাবিধ সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত আছি, তাই নির্বাচিত হলে তরুণদের নিয়ে যেসব পরিকল্পনা রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করব।’ ওয়ার্ডের তরুণদের বিষয়ে ৫০নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী ডিএম শামীম বলেন, ‘ গতবার নির্বাচিত হওয়ার পর আমার ওয়ার্ডে অবস্থিত তরুণদের কয়েকটি সংগঠনে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছি। যাতে করে তারা মাদক থেকে নিজেদেরকে সরিয়ে রাখতে পারে। এছাড়াও যেহেতু তরুণরাই আমাদের আগামী দিনের নেতৃত্ব তাই তরুণদেরকে নিয়ে আমার ভাবনা সবসময়ই থাকে।’

এদিকে, এসব ওয়ার্ডের তরুণ কয়েকজন তরুণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের চাহিদার কথা। ৫২নং ওয়ার্ডের তরুণ ভোটার দেলোয়ার হোসেনের মতে, এলাকায় কোন খেলার মাঠ নেই। ফলে তরুণরা আজেবাজে কাজে জড়িয়ে পড়ছে। আমরা চাই এখানে একটি সুপরিসরের মাঠ গড়ে উঠুক তাহলেই মাদক থেকে অন্যান্য তরুণরা সরে আসবে। ৫১নং ওয়ার্ডের কলেজ ছাত্রী ইশরাত নাবিলা বলেন, রাস্তায় কখনো কখনো প্রকাশ্যে আবার অঙ্গভঙ্গিমায় আমাদেরকে ইভটিজিং করা হচ্ছে। আসলে এসব বন্ধে প্রয়োজন কাউন্সিলিং। জনপ্রতিনিধিদের উচিত উপযুক্ত কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে তরুণদেরকে ইভটিজিং থেকে বের করে আনা।