জয়ের ব্যাপারে কেন এত আত্মবিশ্বাসী কাউন্সিলর প্রার্থী কফিল উদ্দীন?

ডিএনসিসি ৫৩ নং ওয়ার্ড

» মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান | উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার | সর্বশেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২০ - ০১:১৯:০৪ অপরাহ্ন

ডিএনসিসি ৫৩নং ওয়ার্ডে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন গতবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর নাসির উদ্দিন। ওয়ার্ডটিতে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা জামান। এদিকে দল থেকে মনোনয়ন না পেলেও প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন এ ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা সাবেক ৪নং হরিরামপুর ইউনিয়নের মেম্বার হাজী মোঃ কফিল উদ্দিন।

দল থেকে মনোনয়ন না পেলেও জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী এই প্রার্থী। তবে, এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী থাকার পরেও কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার প্রতিযোগিতায় কেন নিজেকে এগিয়ে রেখেছেন কফিল উদ্দিন? এমন প্রশ্নের উত্তরে দীর্ঘদিনের জনপ্রিয়তা ও হরিরামপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার হয়ে ওয়ার্ডবাসীর বিভিন্ন সেবায় যুক্ত থাকতে পারাকেই বড় করে দেখছেন তিনি। প্রার্থী কফিল উদ্দিনের মতে, নিজ বসবাসরত এলাকা তুরাগের বিভিন্ন স্থানে বিচার-শালিস ও জনসেবামূলক কাজে তিনি সকলের কাছে বহু আগ থেকেই পরিচিত। তাই এলাকার মানুষের কথা বিবেচনা করেই নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন তিনি।

ভোটের মাঠে ৫৩নং ওয়ার্ডে একদিকে দলের সমর্থিত প্রার্থী আর অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী থাকার পরেও জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন হাজী মোঃ কফিল উদ্দিন। এ বিষয়ে তিনি উত্তরা নিউজকে বলেন, “ এই ওয়ার্ডে দলের মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির প্রার্থী দুইজন মিলে যে ভোট পাবে, তাদের চেয়ে অনেক বেশি ভোট আমার রয়েছে। এই আত্মবিশ্বাস এবং ওয়ার্ডবাসীর সমর্থনেই এবারের নির্বাচনে আমি অংশ নিয়েছি।”

সাবেক ৪নং হরিরামপুর ইউনিয়নের এই মেম্বারের কয়েকজন সমর্থকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন এলাকার উন্নয়নে কাজ করায় এলাকাবাসীর কাছে বেশ পরিচিতি তিনি। বিশেষ করে, তুরাগে অবস্থিত নলভোগ, ফুলবাড়িয়াসহ আশপাশের রাস্তাগুলো মেরামত ও সংস্কারে বিশেষ অবদান রেখেছেন তিনি। এছাড়াও এলাকাবাসীর যেকোন বিপদে পাশে পাওয়া গিয়েছে তাকে। তাই অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় এলাকার উন্নয়নে ঝুড়ি প্রতীকের প্রার্থী কফিল উদ্দিনকেই ভোট দিতে চান এসব সমর্থকরা।