জর্ডানে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২০ - ০২:৫৫:৫৪ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ দূতাবাস আম্মান, জর্ডানের উদ্যোগে আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয়েছে। যেকোনাে ধরনের গনজমায়েতের উপর জর্ডান সরকারের COViD- 19 জনিত নিষেধাজ্ঞা থাকায় দূতাবাস প্রাঙ্গনে স্বল্প পরিসরে এই অনুষ্ঠানের আয়ােজন করা হয় । দিবসের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এসময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দসহ জর্ডান প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকদের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও তরজমা এবং সেই সাথে মােনাজাত করা হয়। জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মাননীয় রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বানী পাঠ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অংশ নেন উপস্থিত প্রবাসীবৃন্দ। মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধু আমাদের অবিসংবাদিত কিংবদন্তী নেতা।

১৯২০ সালে টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেয়া সেই ” খােকার সাথে বাংলাদেশের ইতিহাস ও আত্মপরিচয় ওতপ্রােত ভাবে জড়িত। বঙ্গবন্ধু না হলে আজ আমরা আজকের বাংলাদেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধুর সপ্নের সােনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁর সফল নেতৃত্ব গুনে বাংলাদেশ যেভাবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রােল মডেলে পরিণত হয়েছে তার বীজ রােপণ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন আমাদের দেশপ্রেম ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে অনুপ্রেরণা জোগায়। তাঁর অবিচল ও অসিম মমত্ববােধ বাংলাদেশের ভিত্তিমূল রচনায় এক অবিসংবাদী নেতার আত্মত্যাগ হিসেবে বাঙালী জাতি আজীবন স্মরণ করবে।

তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু শান্তির প্রতীক , ঐক্যের প্রতীক। তাঁর যে ঐক্যের ডাকে বাংলাদেশের জনগন স্বাধীনতার সংগ্রামে এগিয়ে এসেছিল ঠিক একই ভাবে তাঁর ঐক্যের চেতনাকে ধারন করে আজকে আমাদের একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে বাংলাদেশকে এবং জর্ডান প্রবাসী বাংলাদেশী কমুনিটিকে COVID – 19 মহামারী থেকে নিরাপদ রাখার জন্য। মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্য শেষে কেক কেটে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্ম বার্ষিকী ও মুজিব বর্ষের উদ্বোধন করেন। সভার শেষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী’র উপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়। সব শেষে আগত অতিথি বৃন্দের জন্মশত বার্ষিকী নামাঙ্কিত উপহার দেয়া হয় এবং আপ্যায়িত করা হয়।