উত্তরা নিউজ উত্তরা নিউজ
অনলাইন রিপোর্ট


চলতি বছরের শেষে ব্যাপক সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা






চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই নতুন করে ব্যাপক হারে সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সম্মিলিত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এতে নিরাপত্তা পরিষদে বিশেষজ্ঞ পর্যবেক্ষকরা এমন একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছেন যাতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে পিছু হটে যাওয়ার পরও বৈশ্বিক ইসলামি চরমপন্থী সংগঠনগুলো অব্যাহতভাবে হুমকি হয়ে উঠছে।

প্রতিবেদনের লেখকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, যে ৩০ হাজারের বেশি বিদেশি যোদ্ধা সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) হয়ে লড়াই করতে গিয়েছিল, তারা এখনো জীবিত। ‘তাদের ভবিষ্যত সম্ভাবনা অদূর ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হবে। এদের কেউ আল-কায়েদা অথবা নতুন আসা অন্যান্য সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দেবে। কেউ নেতা বা মৌলবাদী হবে’, বলেছেন তারা।

আইএসের খিলাফতের ভৌগলিক বিস্তৃতি ঠেকানো গেলেও এর উত্থানের অর্ন্তনিহিত কিছু উপাদান এখনো বিদ্যমান, যেগুলো একে ও আল-কায়েদা অথবা একই ধাঁচের গোষ্ঠীগুলোর উত্থানের হুমকি কমাচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন লেখকরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি মুখ্য উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে কারাগারে বন্দিদের মৌলবাদের দিকে ঝুঁকে পড়া, যেখানে বন্দিরা দারিদ্রপীড়িত, প্রান্তিকীকরণ, হতাশা, কম আত্মসম্মানবোধ ও সহিংসতার শিকার। আরো চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সিরিয়ায় ইসলামি খেলাফত থেকে ফিরে আসার পর আটককৃত কিছু বন্দির আসন্ন মুক্তি।

এসব বন্দি পরবর্তীতে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে উল্লেখ করে বলা হয়েছে,‘মৌলবাদ থেকে ফিরিয়ে আনার প্রকল্পগুলো পুরোপুরি কার্যকর বলে প্রমাণ হয়নি…দীর্ঘমেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া সবচেয়ে দুধর্ষ যোদ্ধাদের এখনো মুক্তির সময় ঘনিয়ে আসেনি। এরা এখনও বিপজ্জনক এবং দণ্ড ব্যবস্থার ভেতর ও বাইরে উভয় স্থানেই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

উত্তরা নিউজ/এস,এম,জেড