উত্তরা নিউজ উত্তরা নিউজ
অনলাইন রিপোর্ট


চলতি অর্থবছরে প্রথম মাসেই কমেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি






সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ঠেকাতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের প্রতিফলন দেখা গেছে বাজারে। গত বছরের জুলাই মাসের তুলনায় চলতি বছর সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ অর্ধেকে নেমে এসেছে। চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০) প্রথম মাসেই কমেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জুলাই (২০১৯) মাসে ২ হাজার ১৬০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে।

বাজেট ঘাটতি পূরণে প্রতিবছরই দুইভাবে ঋণ নিয়ে থাকে সরকার। একটি হচ্ছে বৈদেশিক সহায়তা, অপরটি অভ্যন্তরীণ উৎস। অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ঋণ নেয়া হয়।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ৫ হাজার ৩৬ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়। যা সদ্য সমাপ্ত জুলাইয়ের তুলনায় ২ হাজর ৮৭৬ কোটি টাকা বেশি।

সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমাতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ খাতে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ১ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সীমার অতিরিক্ত সঞ্চয়পত্র কেনা ঠেকাতে একটি সেন্ট্রাল ডাটাবেজ করা হয়েছে।

এর আগে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১০ মে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদহার গড়ে ২ শতাংশ কমানো হয়েছিল। এসব কারণেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।সরকারের পদক্ষেপে কমছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি

নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) প্রথম মাসেই কমেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি। আগের বছরের জুলাই মাসের তুলনায় এবছর সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ অর্ধেকে নেমে এসেছে। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জুলাই (২০১৯) মাসে ২ হাজার ১৬০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে।

বাজেট ঘাটতি পূরণে প্রতিবছরই দুইভাবে ঋণ নিয়ে থাকে সরকার। একটি হচ্ছে বৈদেশিক সহায়তা, অপরটি অভ্যন্তরীণ উৎস। অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ঋণ নেয়া হয়।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ৫ হাজার ৩৬ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়। যা সদ্য সমাপ্ত জুলাইয়ের তুলনায় ২ হাজর ৮৭৬ কোটি টাকা বেশি।

সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমাতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ খাতে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ১ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সীমার অতিরিক্ত সঞ্চয়পত্র কেনা ঠেকাতে একটি সেন্ট্রাল ডাটাবেজ করা হয়েছে।

এর আগে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১০ মে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদহার গড়ে ২ শতাংশ কমানো হয়েছিল। এসব কারণেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উত্তরা নিউজ/এস,এম,জেড