চন্দ্রগ্রহণের সময় শারীরিক সম্পর্ক শুভ না অশুভ জেনে নিন


» Md. Neamul Hasan Neaz | | সর্বশেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২০ - ১০:৪২:২২ পূর্বাহ্ন

গ্রহণ নিয়ে মানুষের মনে অনেকরকম প্রচলিত ধারণা থাকলেও বেশ কয়েকটি রীতির পিছনেই রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যাও৷ যেমন হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী রাহু ও কেতু নামের দুই দানব চন্দ্র আর সূর্যকে গিলে নেয়৷ এরফলেই হয় চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ৷ আসলে ঘটনাটা কিন্তু তেমনটা নয়৷ পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্যের কক্ষপথের অবস্থানের উপর নির্ভর করেই হয় গ্রহণ৷

গর্ভবতী নারীদের নিয়েও এ সময় নানা প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে৷ যাকে কুসংস্কার হিসাবেই ধরা হয়৷ এগুলোর তেমন কোনও বৈজ্ঞানিক যুক্তি এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি ৷ গ্রহণের সময় এই নিয়মগুলি মানতে বলা হয়, যেমন-

* গ্রহণ চলাচালীন গর্ভবতী নারীরা ছুরি, কাঁচি বা অন্য কোনও ধাতব বা ধারালো যন্ত্রপাতির ধারে কাছে থাকতে পারবেন না৷

* এ সময় তাঁরা বিছানায় সোজা হয়ে শুয়ে থাকবেন৷ সঙ্গম করবেন না৷ নয়তো বিকলাঙ্গ শিশু জন্ম নিতে পারে৷ এসব নিষেধাজ্ঞা না মানলে গর্ভস্থ শিশু ঠোঁটকাটা বা তালুকাটা অবস্থায় জন্মগ্রহণ করবে৷

* কোনও গয়না ব্যবহার করবেন না৷ কিন্তু বলা বাহুল্য এই সমসত বিশ্বাস একেবারেই ভিত্তিহীন৷

* এই সময় গর্ভবতী মহিলাদের বাড়ির বাইরে বের হওয়া উচিত নয়৷ কারণ বিভিন্ন ধরণের রেডিয়েশনে ক্ষতি পারে দু‘জনেরই৷ এই সময়ে বাতাসে দূষিত কণার পরিমাণও বেড়ে যায়৷

* যদি চন্দ্রগ্রহণের সময় কোনও খাবার খান তাহলে তাতে খানিকটা তুলসী পাতা দিয়ে নেবেন৷

* এই সময়ে সবচেয়ে ভালো হয় যদি সন্তানসম্ভবা মহিলারা কোনওরকম খাবার না খান ৷ কারণ এই সময়ে মহিলাদের নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে খাবার খেতে হয় ৷ কিন্তু গ্রণরে সময় টুকু খাবার না খাওয়াই ভাল৷

তবে শাস্ত্র এত কিছু বললেও বর্তমানে বিজ্ঞান এসব কিছুই মানেনা৷ কারণ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করে দিয়েছেন এই ধরণের গ্রহণের সময় যা বদল হয় তা অ্যাটমোসফেরিক বদল স্বাভাবিক জনজীবনকে যা সেরকমভাবে প্রভাবিত করতে পারেনা ৷