মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান
উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার


ঘূর্ণিঝড় ফণী’র আঘাত: কিশোরগঞ্জে ও বাগেরহাটে নিহত ৫






উত্তরা নিউজ: কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও পাকুন্দিয়া উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সৃষ্ট বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- ইটনা উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাটুইর গ্রামের রাখেশ দাসের ছেলে রুবেল দাস (২৬)।মিঠামইন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের গোলাপ মিয়ার ছেলে মহিউদ্দিন (২৩)।

একই উপজেলার কেওয়াজোড় ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (৭) ও পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কুর্শাকান্দা গ্রামের আয়াজ আলীর ছেলে আসাদ মিয়া (৫৫)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে শুক্রবার দুপুরের দিকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়।

মাঠে কাজ করার সময় পাকুন্দিয়া, ইটনা ও মিঠামইনে তিন কৃষক ও মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

ইটনা থানা পুলিশের ওসি মুর্শেদ জামান, মিঠামইন থানার ওসি জাকির রব্বানি ও পাকুন্দিয়া থানার ওসি মো. ইলিয়াস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, ফণী ঝড়ে বাগেরহাটে এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। তার নাম শাহানুর বেগম (৩৫)।তিনি সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের চোরামনকাটি গ্রামের মোজাহারের স্ত্রী। আজ শুক্রবার দুপুরে চোরামনকাটি গ্রামে ঝড়ো হাওয়ায় গাছের ডাল তার মাথায় ভেঙে পড়লে তিনি নিহত হোন।

জানা যায়, দুপুরে রাস্তা দিয়ে হেঁটে বাসায় ফেরার পথে ঝড়ো হাওয়ায় তার ওপর গাছের ডাল ভেঙে পড়ে। এসময় তাকে আহত অবস্থায় রামপাল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি মারা যান। এদিকে সিডর বিধ্বস্ত শরণখোলার বলেশ্বর নদী পাড়ের ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। শুক্রবার সকাল থেকে উপকূল জুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। দুপুরের পর থেকে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় উপকূলের মানুষকে নিরাপদে আশ্রয়ে সরে যেতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

আজ মধ্যরাতে এ অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ফণী আঘাত হানবে বলে সতর্ক করছে তারা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বাগেরহাট জেলার ২৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্র। জুমার নামাজের পর মসজিদে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

ফণী’র ভয়াবহতা হতে রক্ষা পেতে মসজিদে মসজিদে দোয়া