গাবতলীর পশুর হাট ‘বীর বাহাদুর’


» উত্তরা নিউজ | অনলাইন রিপোর্ট | সর্বশেষ আপডেট: ০৭ অগাস্ট ২০১৯ - ০১:০৭:৪৫ অপরাহ্ন

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর গাবতলীতে জমে উঠেছে পশুর হাট। দেশের নানা প্রান্ত থেকে গরু, ছাগল ও মহিষ নিয়ে এ হাটে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। হাটে আনা পশুর মধ্যে গরুর পরিমাণই বেশি। নানা আকারের গরু আনা হয়েছে গাবতলীর হাটে। এসবের মধ্যে সবচেয়ে বড় গরুটির নাম বীর বাহাদুর। গাবতলীর হাটে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে বড় গরু।

গাবতলীর পশুর হাটে ঢুকতেই বামে দেখা যায় বীর বাহাদুরকে। সকাল থেকেই বীর বাহাদুরকে দেখতে অনেকেই যাচ্ছেন সেখানে।

সোমবার সকালে পাবনার ঈশ্বরদী থেকে মোহাম্মদ সানজু ইসলাম বীর বাহাদুরকে নিয়ে গাবতলীর পশুর হাটে আসেন।

বীর বাহাদুরের নামকরণ প্রসঙ্গে এর মালিক সানজু বলেন, চলতি বছর গাবতলী পশুর হাটের বড় গরুগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে থাকবে বীর বাহাদুর। তার এই অন্যতম হয়ে থাকাটাও একপ্রকার বীরত্ব। তাই চিন্তা-ভাবনা করেই নাম রেখেছি ‘বীর বাহাদুর’।

তিনি জানান, প্রায় ৩৮ মণ ওজনের বীর বাহাদুরের দাম চাওয়া হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা। তবে ২৩ লাখ টাকা দাম পেলে বিক্রি করে দেবেন।

বীর বাহাদুরের বয়স ৩ বছর। খুব ছোটবেলায় তাকে এক গ্রাম থেকে কিনে আনা হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটি কেনার পর থেকেই তাকে খুব যত্ন নিয়ে পালন করা হয়েছে জানান গরুটির মালিক।

গরুটিকে কী কী খাওয়ানো হয়, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই ছোলা, গমের ভুষি, কলা, কাঁঠাল, অ্যাংকার ও খেসারি ডালের ভুষি, আখের গুড়, ঘাসসহ অন্যান্য পশুখাদ্য খাওয়ানো হয় বীর বাহাদুরকে।

মোটা-তাজা করার ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, কোনো ওষুধ খাওয়ানো হয়নি। আর এটা কেউ প্রমাণও করতে পারবে না। যদি কেউ পারে তাহলে আমি বীর বাহাদুরকে ফ্রি দিয়ে যাব।

বীর বাহাদুরের পেছনে প্রতিদিন কত খরচ হয়, জানতে চাইলে সানজু ইসলাম বলেন, প্রতিদিন ১ হাজার টাকার মতো খরচ করতে হয়। ওর খাওয়ার কোনো টাইম নেই। খিদে লাগলেই যেন খেতে পারে সেজন্য খাবার সামনে দিয়ে রাখি।

উত্তরা নিউজ/এস,এম,জেড