মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান
উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার


গাজীপুর থেকে ধর্ষণকারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১






র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সবসময় বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময়ই অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, ধর্ষণকারী,অপহরণকারী,প্রতারক চক্র,জঙ্গী, মাদক ব্যবসায়ী, বিভিন্ন সদস্যদের গ্রেফতার পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে র‌্যাব একটি বিশেষ ল গঠন করে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

র‌্যাব সূত্রে জানানো হয়, গত ০৫ মাস পূর্ব থেকে ধৃত আসামী ভিকটিমকে বিভিন্ন ভাবে শারিরীক নির্যাতনসহ দিনের পর দিন একাধিক বার ধর্ষণ করে আসিতেছিল এবং ধর্ষণের ভিডিও ও ছবি ধারন করে ভিকটিমের পরিবারসহ তার কর্মস্থালের সিনিয়র অফিসারদের কাছে প্রেরণ করে। উক্ত বিষয়ে ভিকটিম তার পরিবারের অন্যদের কাছে প্রকাশ করতে গেলে ধর্ষণকারী তাকে বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভিতি প্রদর্শন করে তার জীবন নাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এছাড়াও উক্ত বিষয়ে আইনগত সাহায্য কামনা করে ভিকটিম এর পরিবার র‌্যাব-১, স্পেশালাইজড্ কোম্পানীর কোম্পানী কমান্ডার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ ায়ের করে, যার নম্বর-৪২ তারিখ ৩০/০৫/১৯ খ্রিঃ। উক্ত অভিযোগ পাওয়ার পর র‌্যাব-১ এর পোড়াবাড়ী ক্যাম্প কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল-মামুন উক্ত ধর্ষণকারীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাবের সকল ধরনের গোয়ে›া কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ৩০ মে ২০১৯ তারিখ বেলা অনুমান ১৬.৩০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১, স্পেশালাইজড্ কোম্পানী পোড়াবাড়ী ক্যাম্প, গাজীপুরের একটি আভিযানিক ল গোপন সংবারে ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, উক্ত ধর্ষণকারী মোঃ রফিকুল ইসলাম গাজীপুরের নলজানী এলাকায় অবস্থান করিতেছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অত্র কোম্পানীর কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ জিএমপি, গাজীপুর বাসন থানাধীন নলজানী সাকিনস্থ আসামীর বসত বাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ধর্ষণকারী আসামী ১। মোঃ রফিকুল ইসলাম(৫০), পিতা-মৃত আহম্মেদ আলী, সাং-নলজানী, থানা-বাসন, জিএমপি, গাজীপুর’কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত ভিকটিম সম্পর্কে তার সাবেক স্ত্রী এবং গত ০২ মাস পূর্বে তাদের তালাক সম্পন্ন হয়। এই তালাক আসামী মেনে নিতে না পারায় সে ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আসামী ভিকটিমকে হত্যা করার হুমকি প্রদান করে এবং গত ২১ মে ২০১৯ তারিখ ভিকটিমকে তার ভাড়া বাসা সালনা হতে আসামী ও তার ৪/৫ জন সহযোগীরা মিলে আসামীর বর্তমান ঠিকানায় তুলে নিয়ে ঘরে তালাবদ্ধ করে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক একাধিক বার ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনা কাউকে না বলার জন্য ভিকটিমকে বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভিতি প্রদর্শনসহ হত্যা করার হুমকি প্রদান করে। বর্তমানে ধৃত আসামীকে জিএমপি, সদর থানায় হস্তান্তর করার ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। / প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জে.এ/তারেক