কাল ১৫তম নিবন্ধনের ভাইভা


» উত্তরা নিউজ | অনলাইন রিপোর্ট | সর্বশেষ আপডেট: ১১ নভেম্বর ২০১৯ - ০৬:০৬:১০ অপরাহ্ন

১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষা আগামীকাল মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে মৌখিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড অনলাইনে প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। উত্তীর্ণ প্রার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

১৫তম নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা দ্রুততম সময়ের মধ্য শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।  জানা গেছে, ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে আগের চেয়ে বোর্ড সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এ পরীক্ষায় স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৩ হাজার ৩৪৫ জনের অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। তাদের মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ১০ হাজার ৯৬৮ জন, স্কুল পর্যায়-২ এ ৭৭০ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ১ হাজার ৬০৭ জন প্রার্থী রয়েছেন। বন্ধের দিন ছাড়া অফিস কার্যদিবসগুলোতে মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

জানতে চাইলে এনটিআরসিএর একজন কর্মকর্তা বলেন, ১৫তম নিবন্ধন পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামীকাল ১২ নভেম্বর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তিনি বলেন, মৌখিক পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে গত ৪ অক্টোবর এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি অ্যাডমিট কার্ডও ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। দুইটি বিষয়ই সব প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়ে জানানো হয়েছে। প্রার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করে তার প্রিন্টেড কপি সাথে নিয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

প্রসঙ্গত,  গত ২৬ ও ২৭ জুলাই ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রিলিমিনারিতে দেড় লাখ প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। লিখিত পরীক্ষায় ১ লাখ ২১ হাজার ৬৬০ জন অংশগ্রহণ করেন। গত ২২ অক্টোবর ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা ফল প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৯ মে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার পরীক্ষার্থী। পাসের হার ছিল ২০ দশমিক ৫৩ ভাগ। উত্তীর্ণদের মধ্যে স্কুল পর্যায়ের ৫৫ হাজার ৫৯৬ জন,  স্কুল পর্যায়-২ এর ৪ হাজার ১২৯ জন এবং কলেজ পর্যায়ের ৯২ হাজার ২৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। প্রিলিমনারিতে ৮ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন।