কাপাসিয়ায় মুদি দোকানেও বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯ - ০৫:৫৬:২৭ অপরাহ্ন

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি: নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে কাপাসিয়া উপজেলার যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রলসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ। বাজারের ভেতরের সরু গলি, বাজার এলাকা ও সড়কের মোড়ে নীতিমালা না মেনে দেদারে চলছে বেচাকেনা। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহারের বিধান থাকলেও তা মানছে না অধিকাংশ বিক্রেতা। ফলে যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ও প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে উপজেলার বরুন, চাঁদপুর, রাণীগঞ্জ, বলখেলা, লতাপাতা, রায়েদ, বায়িষাব, ঘাগটিয়া, সনমানিয়া, টোক, তরগাঁও সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মুদি দোকান, ওষধের দোকান, কাপড়ের দোকান, হার্ডওয়ারের দোকান, সিমেন্টের দোকান এমনকি পানের দোকান সহ অন্তত্য পাঁচ শতাধিক দোকানে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে।
কোমল পানীয়র বোতলে ভরে বিক্রি হচ্ছে পেট্রল। ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা না করায় দিন দিন বেড়েই চলছে দোকানের সংখ্যা। বিধি মোতাবেক ১০টির বেশি সিলিন্ডার মজুদ রেখে বিক্রির ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদ নেয়া বাধ্যতামূলক। বিস্ফোরক অধিদপ্তর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে বিক্রয় ও বিপণন লাইসেন্স প্রদান করলেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাজারে মুদি মালের মতো গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছে। যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম মজুদ রাখার বিধান থাকলেও তা মানছে না কোন বিক্রেতা।
কাপাসিয়া বাজারের গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রল বিক্রেতা ওমর ফারুক বলেন, অধিকাংশ বিক্রেতার কোন লাইসেন্স নেই। লাইসেন্স করতে গেলে হয়রানির শিকার হতে হয়। গুনতে হয় নির্ধারিত থেকে অতিরিক্ত টাকা।

উপজেলার এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন এসোসিয়েশনের সভাপতি মাসুদ রহমান বলেন, কাপাসিয়ায় এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ১৭টি কোম্পানির ১২ জন পরিবেশক রয়েছে। দাহ্য পদার্থ বিক্রির সুনির্দিষ্ট বিধিমালা আছে। পেট্রল ও দাহ্য পদার্থ বিক্রির কারণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। আমারা নীতিমালা করে দিয়েছি। দোকানিরা তা মানছে না।